দুর্ঘটনা, অসুস্থতা বা অন্যান্য যৌক্তিক কারণে নির্ধারিত হজ ফ্লাইটে যাত্রা করতে না পারলে হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া ফেরত দিতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. তফিকুল ইসলাম গত বৃহস্পতিবার জারি করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেন। চিঠিটি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, সৌদিয়া এয়ারলাইনস এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, হজ প্যাকেজ ও গাইডলাইন-২০২৬ অনুযায়ী, কোনো হজযাত্রী দুর্ঘটনা, গুরুতর অসুস্থতা, ভিসা জটিলতা বা অন্য কোনো গ্রহণযোগ্য কারণে নির্ধারিত ফ্লাইটে যেতে না পারলে এয়ারলাইনসকে তাকে “প্রতিস্থাপন সুবিধা” দিতে হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনে বিমান ভাড়ার অর্থ ফেরতের ব্যবস্থাও নিতে হবে।
এছাড়া, ওই হজযাত্রীর সঙ্গে নিবন্ধিত সহগামী পরিবারের সদস্যরাও যদি একই কারণে যাত্রা করতে না পারেন, তাদের ক্ষেত্রেও প্রতিস্থাপন সুবিধা ও টিকিটের অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিস্থাপনের কারণে এয়ারলাইনসের নির্ধারিত কোটায় কোনো পরিবর্তন হবে না। সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে এ নির্দেশনা জরুরি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৮৭ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যাচ্ছেন। গত ১৮ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরু হওয়ার পর ইতোমধ্যে প্রায় ৪৫ হাজার যাত্রী সেখানে পৌঁছেছেন। তবে অসুস্থতা বা নির্ধারিত সময়ে ফ্লাইট ধরতে না পারার মতো কারণে কিছু যাত্রী ফ্লাইট মিস করেছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এই নির্দেশনার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হজযাত্রীরা আর্থিকভাবে উপকৃত হবেন।
আরটিভি/এসকে




