ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

মেঘনার ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ০৬:০০ পিএম
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙন কবলিত মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে কাটাখালি বাজার ও আশপাশের এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন পানিসম্পদ মন্ত্রী। ছবি: আরটিভি

নোয়াখালীর সূবর্ণচর ও হাতিয়া অঞ্চলের মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। জনগণের স্বার্থে এবং স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে আগামী অর্থবছর থেকেই ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী প্রকল্পের কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (১৭ মে) নোয়াখালীর সুবর্ণচরে মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙন কবলিত মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে কাটাখালি বাজার ও আশপাশের এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা জানান তিনি।

‎ভাঙনের ভয়াবহ চিত্র প্রত্যক্ষ করে মন্ত্রী বলেন, চোখের সামনেই মানুষের বসতভিটা, বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। জনগণের পাশে থাকা এবং তাদের জানমাল রক্ষা করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা এলাকাটি পরিদর্শনে এসেছি।

‎বর্ষা মৌসুম ও অতিপ্লাবনের হাত থেকে স্থানীয়দের রক্ষায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সামনে বর্ষা মৌসুম থাকায় ভাঙন প্রতিরোধে আমরা ইতোমধ্যে ‘ইমার্জেন্সি ওয়ার্ক’ হাতে নিয়েছি। এছাড়া আরও দুই-তিনটি পয়েন্টে দ্রুত জরুরি কাজ শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, নদীর অপর প্রান্তে উড়িরচর, স্বর্ণদ্বীপ ও ভাসানচরসহ পুরো হাতিয়া নদীভাঙন এলাকার দিকে আমাদের বিশেষ নজর রয়েছে। সেখানে অনেকগুলো প্রকল্প চলমান। তবে সুবর্ণচরের এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি একটি স্থায়ী বাঁধের। যেখানে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেখানে আমরা টেকসই বা পার্মানেন্ট কাজের ব্যবস্থা গ্রহণ করব। স্টাডি রিপোর্ট সম্পন্ন হওয়ার পর আগামী অর্থবছরের মধ্যেই এই স্থায়ী কাজগুলো সমাপ্ত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

আরও পড়ুন

বর্তমান সরকারের তিন মাসের কাজের মূল্যায়ন করে তিনি বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে। এই তিন মাসে প্রতিটি সেক্টরে কীভাবে উন্নয়ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়, তা নিয়ে আমরা জনগণের স্বার্থে, জনগণের পাশে থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার এটিএম মোশাররফ হোসেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর চৌধুরী আলো, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ আজাদ। এছাড়াও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।
‎
‎আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস / বিএনপির শোভাযাত্রা শুরু, নেতৃত্বে তারেক রহমান
নয়াপল্টনে ঘোড়ার গাড়ি ও হাতির উপস্থিতি উৎসুক মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। নেতাকর্মীদের ভিড়ের মধ্যে ব্যতিক্রমী এ আয়োজন শোভাযাত্রায় বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছে।
বিএনপির শোভাযাত্রা শুরু, নেতৃত্বে তারেক রহমান
যেসব স্লোগানে উত্তাল হয়েছিল ৭ নভেম্বরের রাজপথ
‘সিপাহি-জনতা ভাই ভাই, জিয়ার মুক্তি চাই’, ‘সিপাহি বিপ্লব জিন্দাবাদ, জেনারেল জিয়া জিন্দাবাদ’এমন নানা স্লোগানে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর উত্তাল হয়ে উঠেছিল ঢাকা সেনানিবাস ও রাজধানীর রাজপথ। ব্যারাক ছেড়ে রাজপথে নেমে আসেন সেনাবাহিনীর সাধারণ সৈনিকেরা।
যেসব স্লোগানে উত্তাল হয়েছিল ৭ নভেম্বরের রাজপথ
নয়াপল্টনের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের শোভাযাত্রা পূর্ব সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৩টার একটু আগে সমাবেশে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে শোভাযাত্রা শুরুর কথা রয়েছে। সমাবেশ উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অস্থায়ী মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। এর আগে সকাল থেকেই ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডের পাশাপাশি আশপাশের জেলাগুলো থেকে মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে আসছেন নেতাকর্মীরা। তাদের হাতে রয়েছে জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন এবং শীর্ষ নেতাদের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড। নানা রঙের টি-শার্ট ও টুপি পরে স্লোগানে স্লোগানে মুখর করে তুলেছেন কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও আশপাশের এলাকা। শোভাযাত্রায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। কর্মসূচি সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি। সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দায়িত্ব পালন করছেন দলের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকরা। পাশাপাশি অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আশপাশের এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এদিকে ঢাকা ছাড়াও আজ দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে শোভাযাত্রা করবে বিএনপি। ৮ নভেম্বর থানা ও উপজেলা পর্যায়ে একই কর্মসূচি পালনের কথা রয়েছে। আরটিভি/এসকে
নয়াপল্টনের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস  / শোভাযাত্রার জন্য নয়াপল্টনে জড়ো হচ্ছেন নেতাকর্মীরা
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
শোভাযাত্রার জন্য নয়াপল্টনে জড়ো হচ্ছেন নেতাকর্মীরা
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে  রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে তাদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা
আরও পড়ুন
প্রয়াত শিক্ষার্থীদের স্মরণে নোবিপ্রবির সমাবর্তনে দেওয়া হবে মরণোত্তর সম্মাননা 
নোবিপ্রবিতে জমকালো আয়োজনে শুরু বিটিসি ও এমআইএস ডে
দেশে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, চলবে ২০ বছর
নোয়াখালীতে পুলিশের কাছ থেকে হত্যা মামলার আসামি ছিনতাই