ঢাকা বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

নৌপথে ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে যেসব প্রস্তুতি সরকারের 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ১১:৪১ এএম
সদরঘাটের পুরনো ছবি

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশের নৌপথে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও সুশৃঙ্খল যাতায়াত নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। সদরঘাটকেন্দ্রিক বিশৃঙ্খলা ও নৌপথে দুর্ঘটনা এড়াতে এবার নেওয়া হয়েছে একগুচ্ছ কঠোর ও সমন্বিত সিদ্ধান্ত।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে নৌপথে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা, যাত্রীসেবা, ভাড়া নিয়ন্ত্রণ, ফেরিঘাট ব্যবস্থাপনা এবং নৌযান চলাচলে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সভাপতিত্বে ওই সভায় প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া উপস্থিত ছিলেন।

ঈদযাত্রা নিয়ে প্রস্তুতি সভায় নৌপরিবহনমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা, লঞ্চ মালিক, শ্রমিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এবারের ঈদে নৌপথে যাত্রীরা নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও আনন্দময় ভ্রমণের অভিজ্ঞতা পাবেন।

শেখ রবিউল আলম বলেন, এবারের লক্ষ্য হচ্ছে নৌপথে এমন একটি ঈদযাত্রা নিশ্চিত করা, যাতে যাত্রীরা আরামদায়ক, নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে ভ্রমণ করতে পারে।

তিনি বলেন, গত ঈদে দুটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ছাড়া সামগ্রিকভাবে নৌযাত্রা শান্তিপূর্ণ ছিল। এবার সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আরও কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে।

থাকবে একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সদরঘাটে বিভিন্ন সংস্থার আলাদা আলাদা কন্ট্রোল রুম না রেখে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), নৌপরিবহন অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে একটি মাত্র ‘কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ’ পরিচালিত হবে।

এ ছাড়া সদরঘাটের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সিসিটিভি মনিটরিং জোরদার করা হবে এবং ওয়াচ টাওয়ার থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হবে।

প্রতি লঞ্চে ন্যূনতম ৪ জন আনসার
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ঈদের আগে ১৯ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত প্রতিটি লঞ্চে ন্যূনতম চারজন আনসার সদস্য মোতায়েন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তাদের দায়িত্ব হবে নদীপথে ট্রলার বা নৌকা ভিড়িয়ে অবৈধভাবে যাত্রী ওঠানামা বন্ধ করা এবং যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন, ছাদে যাত্রী ওঠানো ও অতিরিক্ত মালামাল পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে রুট পারমিট বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নদীতে ট্রলার-নৌকায় যাত্রী ওঠানামা নিষিদ্ধ
সভায় কঠোরভাবে জানানো হয়, কোনো অবস্থাতেই নদীর মাঝপথে ট্রলার বা নৌকার মাধ্যমে যাত্রী লঞ্চে ওঠানামা করতে পারবে না। নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ড দিনরাত টহলের মাধ্যমে এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবে। সদরঘাট এলাকায় নির্ধারিত ট্রলারঘাট ছাড়া অন্য কোথাও যাত্রী ওঠানো-নামানো যাবে না।

ঈদে ১০ দিন বন্ধ থাকবে বাল্কহেড চলাচল
নৌদুর্ঘটনা রোধে ঈদের আগে ও পরে মোট ১০ দিন সারাদেশে বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৩ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত দিনে-রাতে কোনো বাল্কহেড চলতে পারবে না। একইসঙ্গে সদরঘাট থেকে ডিঙ্গি নৌকার চলাচলও বন্ধ থাকবে।

বসিলা ও শিমুলিয়া ঘাটে বাড়ছে লঞ্চসেবা
সদরঘাটে যাত্রীচাপ কমাতে এবারও মোহাম্মদপুরের বসিলা ব্রিজসংলগ্ন ঘাট এবং পূর্বাচলের কাঞ্চন ব্রিজসংলগ্ন শিমুলিয়া ঘাট থেকে লঞ্চ চলাচল করবে।

শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রীদের জন্য বিআরটিসি’র শাটল বাস চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বসিলা ঘাটে নতুন পন্টুন স্থাপন এবং দুই ঘাটেই টয়লেট, বিশ্রামাগার, ট্রলি ও হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা রাখা হবে।

এ ছাড়া বরিশাল, ভোলা, হাতিয়া, বেতুয়া ও চাঁদপুর রুটের কিছু লঞ্চ বসিলা ও শিমুলিয়া থেকে পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান বলেন, ঈদ উপলক্ষে নৌপথে যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সরকার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঢাকার প্রধান নৌবন্দর সদরঘাট ছাড়াও শিমুলিয়া এবং বসিলা থেকেও যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচলের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সদরঘাট থেকে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত যানজটমুক্ত রাখার নির্দেশ
২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত সড়ক যানজটমুক্ত রাখতে ঢাকা মহানগর পুলিশ, ট্রাফিক বিভাগ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাস্তার দুইপাশ হকারমুক্ত রাখা, এলোমেলো যানবাহন অপসারণ এবং প্রয়োজন হলে ওয়ানওয়ে ট্রাফিক ব্যবস্থা চালুর কথাও সভায় বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ-এর ঢাকা নদীবন্দরের (সদরঘাট) নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্মপরিচালক মুহম্মদ মোবারক হোসেন বলেন, ঈদযাত্রা উপলক্ষে আমরা অতীতের চেয়ে অনেক বেশি ও গোছানো প্রস্তুতি নিয়েছি। নির্বিঘ্ন নৌযাত্রা উপহার দিতে আমরা সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছি। সদরঘাটে যাত্রীদের সেবায় ফ্রি কুলি ও ট্রলি সার্ভিস রাখার কথাও জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা।

অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে কড়া নজরদারি
সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক, সকল ঘাট ও লঞ্চে অনুমোদিত ভাড়ার তালিকা টাঙিয়ে রাখতে হবে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

মালিক সমিতিকে ঈদের সময়ও পুনঃনির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ১০ শতাংশ কম ভাড়ায় যাত্রী পরিবহনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিরাপত্তা জোরদারে টহল ও ভিজিল্যান্স টিম
নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, চাঁদপুর, বরিশাল-ভোলা রুটসহ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে ডাকাতি ও চাঁদাবাজি ঠেকাতে রাতের টহল বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি ঘাট এলাকায় স্থানীয় প্রশাসন, জেলা পুলিশ, নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হবে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ও সার্বিক পরিস্থিতি তদারকিতে বিশেষ ভিজিল্যান্স টিম গঠন করবে।

যাত্রীসেবায় বাড়তি উদ্যোগ
প্রতিটি লঞ্চে ডিজিটাল ডিসপ্লে স্ক্রিনে ভাড়া ও জরুরি হটলাইন নম্বর প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। যাত্রীদের জন্য জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯, ফায়ার সার্ভিস ১০২, বিআইডব্লিউটিএ হটলাইন ১৬১১৩ এবং কোস্টগার্ড হটলাইন ১৬১১১ নম্বর ব্যাপকভাবে প্রচার করা হবে।

এ ছাড়া নারী, শিশু, বয়োবৃদ্ধ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন যাত্রীদের জন্য বিশেষ সুবিধা, ব্রেস্টফিডিং কর্নার, বিশুদ্ধ পানি, মোবাইল চার্জিং ও উন্নত টয়লেট সুবিধা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান বলেন, সদরঘাটে যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে ট্রলির ব্যাবস্থা করা হয়েছে। ট্রলির জন্য কাউকে কোন টাকা দিতে হবে না।

সদরঘাটে হকার এবং কুলিদের উৎপাত বন্ধের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, স্পিডবোট বা নৌকা দিয়ে লঞ্চে কোনো যাত্রী উঠতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার না হয় সেজন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সদরঘাটে নৌ বন্দরের দুই পাশে আলাদা সিঁড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে ছোট ছোট নৌকা বা স্পিড বোড থেকে যাত্রীরা সহজেই ঘাটে উঠতে পারে। এ ছাড়া নিয়মিত টহলও জোরদার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

নৌপথে কোরবানির পশু পরিবহনে নিরাপত্তা নিশ্চিত, ফেরিঘাটে অতিরিক্ত যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, স্পিডবোটে লাইফ জ্যাকেট বাধ্যতামূলক করা এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় কঠোরভাবে আবহাওয়া সংকেত অনুসরণের নির্দেশনাও দিয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি হচ্ছেন তামিম!
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বর্তমান সভাপতি মহসিন নাকভি। তার মেয়াদ বাড়ার সম্ভাবনা খুবই কম। গুঞ্জন রয়েছে, নকভির মেয়াদ না বাড়লে আগামী বছরের এপ্রিলেই এসিসি প্রধানের চেয়ারে বসতে যাচ্ছেন তামিম ইকবাল। ২০২৭ সালের এপ্রিলে এসিসির সভাপতি হিসেবে মহসিন নাকভির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। তার মেয়াদ বাড়াতে হলে নির্বাহী বোর্ডের সর্বসম্মত সমর্থন দরকার। কিন্তু সূত্রের বরাত দিয়ে ক্রিকবাজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নাকভির পক্ষে সেই সমীকরণ মেলানো প্রায় অসম্ভব। এশিয়ার পাঁচ পূর্ণ সদস্যদেশের মধ্যে প্রতি দুই বছর পরপর ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে এসিসির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এবার সেই পালা বাংলাদেশের। বিসিবি প্রধান তামিম ইকবালও এই দায়িত্ব নিতে আগ্রহী এবং এসিসিকে নিজের মনোভাবের কথা জানিয়েও দিয়েছেন। এসিসির নির্বাহী বোর্ডে রয়েছে ভারত, শ্রীলংকা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। নিয়মানুযায়ী মার্চ থেকে মার্চ পর্যন্ত সভাপতির মেয়াদ ধরা হলেও মহসিনের ক্ষেত্রে তা শেষ হবে ২০২৭ সালের ২ এপ্রিল। অবশ্য এর আগে মেয়াদ বাড়ানোর নজিরও আছে।  গত বছর তৃতীয় দফায় দায়িত্ব পালন করেছিলেন জয় শাহ। তবে সে ক্ষেত্রে সব সদস্যের পূর্ণ ঐকমত্য ছিল। শ্রীলংকা ক্রিকেট নিজেদের পালা এক বছর পেছাতে রাজি হয়েছিল বলেই তা সম্ভব হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে মহসিনের বিরোধের জেরে অন্তত তিনটি পূর্ণ সদস্যদেশ তার মেয়াদ বাড়ানোর বিপক্ষে অবস্থান নিতে পারে। ক্রিকবাজের সঙ্গে আলাপকালে এসিসির এক সদস্য বর্তমান পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে বলেছেন, ‘নানা জল্পনা থাকতে পারে, কিন্তু নাকভির মেয়াদ ২০২৭ সালের এপ্রিলে শেষ হবে। এরপর বাংলাদেশের দায়িত্ব নেওয়ার কথা এবং এসিসির সদস্যদের মধ্যে এমন একটি ধারণা আছে যে তামিম দায়িত্ব নিতে আগ্রহী। নাকভি হয়তো যুক্তি দিতে পারেন, গত বছর এজিএম হয়েছিল আগস্টে, তখন এসিসির অন্য পদগুলোর নির্বাচন হয়নি; নির্বাচন হয়েছে এ বছর আগস্টে। কিন্তু এসিসি সভাপতির মেয়াদের সঙ্গে এজিএমের কোনো সম্পর্ক নেই।’ আরটিভি/এসআর
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি হচ্ছেন তামিম!
৪ জেলায় নতুন ডিসি
দেশের ৪ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
৪ জেলায় নতুন ডিসি
স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর সময় জানালেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
আগামী জানুয়ারি মাস থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হয়ে ৬ জুনের মধ্যে শেষ হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক আইনশৃঙ্খলা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে এবং তা ৬ জুন পর্যন্ত চলবে। এ জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি করতে হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান জনগণের সরকার বদ্ধপরিকর এবং প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনা রয়েছে আমাদের প্রতি- আগামী যে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন আসছে, এই নির্বাচনটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে এবং সরকারের পক্ষ থেকে যা যা করার প্রয়োজন, আমরা করব।  তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে কলঙ্কিত করে বা নির্বাচনের কোনো কলঙ্কিত অধ্যায় নিয়ে বিএনপি সরকার থাকবে না। এটা আপনাদের মাধ্যমে জনগণকে এবং যারা প্রার্থী, তাদের আমরা এই নিশ্চয়তা দিতে চাই। আরটিভি/এসআর
স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর সময় জানালেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
এআইয়ের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার মানুষের চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতাকে হ্রাস করে: রাষ্ট্রপতি
জনকল্যাণে আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ন্যানো ও জৈব প্রযুক্তি এবং সেমিকন্ডাক্টর খাতে গবেষণা ও নতুন উদ্ভাবনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ।
এআইয়ের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার মানুষের চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতাকে হ্রাস করে: রাষ্ট্রপতি
তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও এর গঠনপ্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন মতামত ও প্রস্তাব পাওয়া গেছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আরও পড়ুন
স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর সময় জানালেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
সরকারের মহাপরিকল্পনা, মনোরেল পথে বাংলাদেশ
বন্ধ পাটকল চালুতে সরকারের বড় উদ্যোগ, তৈরি হবে ৫০ হাজার কর্মসংস্থান
ইতালির স্কুলে বোরকা নিষিদ্ধ, বিদেশি শিক্ষার্থীদের নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত