পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, জীবদ্দশায় প্রেসিডেন্ট জিয়ার সঙ্গে সাধারণ মানুষের ঘনিষ্ঠতা ছিল। গ্রামের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সৃষ্টি করেছিলেন। তার রাজনৈতিক জীবন ছিল খুব অল্প সময়ের। সাড়ে ৩ বছর এ দেশ শাসন করেছেন। এই শাসনামলে তিনি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলেছেন।
শনিবার (৩০ মে) রাতে লক্ষ্মীপুরে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা বিএনপির ব্যানারে টাউন হল ও পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়। এর আগে অসহায়দের মাঝে শাড়ি, লুঙ্গী ও খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়া যখন টগবগে যুবক ছিলেন, তখন দেশের মানুষের সঙ্গে যে সম্পর্ক স্থাপন করেছেন, তা এখন ভেসে উঠছে। যদি প্রেসিডেন্ট জিয়ার জন্ম না হতো, তাহলে পাক হানাদার বাহিনী থেকে যুদ্ধ করে বাংলাদেশটাকে স্বাধীন এবং স্বার্বভৌম দেশ হিসেবে পাওয়া দূরহ ও কষ্টকর ছিল। এর নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জিয়া।
তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়া যদি যুদ্ধের নেতৃত্ব না দিতেন, স্বাধীনতার ঘোষণা যদি না করতেন, না ডাক দিতেন, তাহলে রনাঙ্গণে অস্ত্র হাতে বাংলার দামাল ছেলেরা যুদ্ধে অবতীর্ণ হতেন না। এবং স্বাধীন বাংলাদেশ পাওয়া দূরহ ছিল, কষ্টকর ছিল। প্রেসিডেন্ট জিয়া থেকে আজকে পর্যন্ত যে ক্রাইসিস টাইম আমরা মোকাবেলা করেছি, প্রত্যেকটা ক্রাইসিসে জিয়া পরিবারের অংশগ্রহণ, অবদান, অর্জন ও দেশের মানুষের পাশে থাকা দৃশ্যমান। দেশ স্বাধীন থেকে এখন পর্যন্ত জিয়া পরিবারের অবদান যদি ব্যাখ্যায় যান সারা বছরেও শেষ হবে না। স্বাধীনতার পর বিভক্তি-বিভাজন, দূর্বৃত্তায়ন, দুর্নীতি-দুঃশাসন ছিল। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর প্রেসিডেন্ট জিয়া সিপাহী জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশটাকে নতুনভাবে গড়ার স্বপ্ন দেখালেন।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমানের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু ও বাফুফের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি প্রমুখ।
আরটিভি/এসএস




