ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

জীবন বাজি রেখে শান্তিরক্ষীরা দেশের সম্মান রক্ষা করছেন: শামা ওবায়েদ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করা সদস্যদের ভূমিকার প্রশংসা করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বশান্তি রক্ষায় যে ত্যাগ স্বীকার করেন, তা অনেকেই যথেষ্ট উপলব্ধি করেন না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে ভালোবেসে ও দেশের সম্মান রক্ষায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা কাজ করে যাচ্ছেন।

সোমবার (৮ জুলাই) দুপুরে সিরডাপ মিলনায়তনে 'বিশ্ব শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদান' শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভাটি আয়োজন করে ডিফেন্স জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিজাব)।

ডিজাব সভাপতি আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং সামিট পাওয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) ড. মনিরুল ইসলাম আখন্দ, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কমডোর (অব.) এম এম জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া ও বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এয়ার কমোডোর মোহাম্মদ মুশতাকুর রহমান (এলপিআর)। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন ডিজাবের সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম মাসুম।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী সদস্যরা যে ভূমিকা রাখেন, আমি আফ্রিকার দেশগুলোতে গিয়ে বিভিন্ন কনফারেন্সে দেখেছি আমার কাছে মনে হয়েছে, আমরা বাংলাদেশিরা সেটা যথেষ্ট উপলব্ধি করি না। তারা যে অর্জন করে আনেন, সেটা জীবনের চেয়েও বড় নয়। তারা জীবন বাজি রেখে কাজ করে যাচ্ছেন।

বিশ্ব শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নেওয়া সদস্যদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি তাদের পরিবারের প্রতিও আজ স্মরণ করতে চাই। প্রত্যেকটি পরিবার তাদের বাবা, স্বামী, ভাইকে পাঠিয়ে দিচ্ছেন, তারা ফেরত আসবেন কি না, সেটা তারা জানেন না। কিন্তু সেই দেশপ্রেম থেকে, বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসা থেকে তারা এই কাজটি করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের স্যালুট জানাই। বাংলাদেশের সরকারের পক্ষ থেকেও তাদের স্যালুট জানাই। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সবসময় বিষয়টি নিয়ে সচেষ্ট রয়েছে।

ভবিষ্যতেও শান্তিরক্ষীদের সঙ্গে কাজ করার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, আপনারা যেকোনো প্রয়োজনে আমাদের কাছে আসলে আমরা সেটি গুরুত্বের সঙ্গে নেব এবং আপনাদের সহযোগিতা করব।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মেজর জেনারেল (অব.) ড. মনিরুল ইসলাম আখন্দ, কমোডর (অব.) এম এম জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া এবং এয়ার কমোডর মোহাম্মদ মুশতাকুর রহমান (এলপিআর)। তারা বলেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সাফল্য কেবল সামরিক দক্ষতার ফল নয়; বরং মানবিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও পেশাদারিত্বের সমন্বিত প্রতিফলন।

বক্তারা আরও বলেন, সিয়েরা লিওনের পুনর্গঠনে বাংলাদেশের অবদান, হাইতিতে প্রথম পূর্ণাঙ্গ মুসলিম নারী পুলিশ ইউনিট মোতায়েন, আফ্রিকায় স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম এবং সম্প্রতি জাতিসংঘের মর্যাদাপূর্ণ ‘দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক’ অর্জন বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

ডিফেন্স জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিজাব) সভাপতি আলমগীর হোসেন বলেন, অনেকের ধারণা রয়েছে শান্তিরক্ষা মিশনে গেলে শান্তিরক্ষী সদস্যরা বিপুল পরিমাণ অর্থ পান। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই অর্থের বড় একটি অংশই বাংলাদেশ সরকার পেয়ে থাকে।

আরও পড়ুন

শান্তিরক্ষা মিশন এলাকা ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে দায়িত্ব পালন করা শান্তিরক্ষীরা অনেক সময় নিজেদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত থেকেও বঞ্চিত হন। দেশে জন্ম নেওয়া সন্তানকে ছুঁয়ে দেখার সুযোগ হয় না অনেকের। ভিডিও কলে সন্তানকে দেখে তারা নিজেদের সান্ত্বনা দেন। মা-বাবা কিংবা নিকট আত্মীয় মারা গেলেও অনেক সময় দেশে ফিরে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ পান না শান্তিরক্ষা মিশনে থাকা সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শান্তিরক্ষীরা প্রতিদিন নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিনিয়ত মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে তারা দেশের সম্মান ও বিশ্ব শান্তি রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক, সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক। তিনি বলেন, ১৯৮৮ সালে মাত্র ১৫ জন সামরিক পর্যবেক্ষক দিয়ে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে দেশটি শান্তিরক্ষা মিশনে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। এ পর্যন্ত ৪৩টি দেশে ৬৩টিরও বেশি মিশনে দুই লাখ ছয় হাজারের বেশি বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি জানান, বর্তমানে জাতিসংঘের বিভিন্ন মিশনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের ৪ হাজার ২১২ জন সদস্য কর্মরত রয়েছেন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার পথে আত্মত্যাগের অনন্য নজির স্থাপন করে এ পর্যন্ত ১৭৫ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী জীবন উৎসর্গ করেছেন।

অনুষ্ঠানে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আব্দুল্লাহ ইবনে জায়েদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান, ঢাবির শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. সাবের আহমেদ চৌধুরী, ডিজাবের সাবেক সভাপতি আবুল খায়ের ও মামুনূর রশীদ, সংগঠনের সিনিয়র সদস্য মাসুদ করিম, ডিক্যাব'র সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েসসহ একাধিক গবেষক বক্তব্য রাখেন। তারা শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদান তুলে ধরে ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সরকারের নীতি-সহায়তা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, জাতিসংঘের চলতি বছরের প্রতিপাদ্য ‘ইনভেস্ট ইন পিস’ বা ‘শান্তিতে বিনিয়োগ’ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। বৈশ্বিক অস্থিরতার এই সময়ে শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ, দক্ষতা ও মানবিক উদ্যোগ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নতুন আশার সঞ্চার করছে।

অনুষ্ঠানর শুরুতে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় আত্মোৎসর্গকারী বাংলাদেশি শহিদ শান্তিরক্ষীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এ সময় শান্তিরক্ষীদের অবদান নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়।

এছাড়া সেমিনারে ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের পাবলিক অ্যাফেয়ার্স সেকশনের প্রেস স্পেশালিস্ট মাহাদি আল হাসনাতসহ ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দাম্মাম-রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত
সৌদি আরবে বিমানবন্দরে হামলার প্রেক্ষাপটে যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ঢাকা থেকে দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট আগামী ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।  বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) এ তথ্য জানিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সময় ও তারিখ অনুযায়ী ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা থেকে দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট স্থগিত থাকবে। তবে জরুরি প্রয়োজনে যাত্রীরা জেদ্দা ও মদিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে সৌদি আরবে যাতায়াত করতে পারবেন। এ রুটে বোয়িং ৭৮৭-এর পরিবর্তে বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ যুক্ত করা হয়েছে। এতে প্রতি ফ্লাইটে ১৪৮টি আসন বেড়েছে। এ ছাড়া যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে জেদ্দা রুটে অতিরিক্ত তিনটি ফ্লাইট পরিচালনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, স্থগিত ফ্লাইটগুলোর বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত এবং নতুন যাত্রাসূচি যথাসময়ে জানানো হবে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে টিকিট ও ভ্রমণসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য যাত্রীদের নিকটস্থ সেলস সেন্টারে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আরটিভি/এসআর
দাম্মাম-রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সরানো হলো যুগ্মসচিব জসিম উদ্দীনকে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে বদলি করা হয়েছে যুগ্মসচিব মো. জসিম উদ্দীনকে। গত ১২ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়। জসিম উদ্দীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। সাবেক সিনিয়র সচিব মহিবুল হক ঢাকা জেলার প্রশাসক (ডিসি) থাকাকালে ২০১০ সালের ২২ এপ্রিল থেকে ২০১২ সালের ৫ নভেম্বর পর্যন্ত জসিম উদ্দীন ঢাকা জেলার ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অভিযোগ রয়েছে, ওই সময়ে মহিবুল হকের সঙ্গে যোগসাজশে ভূমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেন জসিম উদ্দীন। পরবর্তী সময়ে জসিম উদ্দীন ময়মনসিংহে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষে উপপরিচালক, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখায় যুগ্মসচিব হিসেবে যোগ দেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ কর্মকর্তাদের পদায়ন ও ভালো পোস্টিং দেওয়ার ক্ষেত্রে পক্ষপাতের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিশেষ করে ২০০৫ সালে উপপরিদর্শক (এসআই) পদে নিয়োগ পাওয়া পুলিশ কর্মকর্তাদের ওসি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন ঠেকাতে তিনি ভূমিকা রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।  জসিম উদ্দীনের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত সম্পদ অর্জন নিয়েও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ঢাকা জেলার ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা থাকাকালে তিনি রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে দোকানের পজিশন কেনেন। এ ছাড়া ভোলায় একাধিক চিংড়ি হিমাগার এবং নামে-বেনামে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। একজন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে তার কাছ থেকে নিজের বাড়ি সাজিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা জসিম উদ্দীনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে সাবেক সিনিয়র সচিব মহিবুল হকের নামে থাকা ২১টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার নামে বাগেরহাটের ফকিরহাট ও গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলায় ছয়টি দলিলে থাকা মোট ১ দশমিক ৭২ একর জমি জব্দের আদেশ দেওয়া হয়েছে। মহিবুল হকের মেয়ে মোশরেকা মৌমিতা হকের নামে বাগেরহাটের ফকিরহাটে ০ দশমিক ১২৪৩ একর জমি এবং স্ত্রী সৈয়দা আফরোজা বেগমের নামে ঢাকার মহাখালী ডিওএইচএস এলাকায় ২ হাজার ৭০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাটও জব্দের আদেশের আওতায় এসেছে। এছাড়া আটটি ব্যাংক ও জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরে মহিবুল হক ও তার স্ত্রী সৈয়দা আফরোজা বেগমের নামে ২১টি হিসাবে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। মহিবুল হকের বিরুদ্ধে নেওয়া এসব পদক্ষেপের পর তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত জসিম উদ্দীনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আরটিভি/টিআর
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সরানো হলো যুগ্মসচিব জসিম উদ্দীনকে
বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ ডেপুটি স্পিকারের
বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার এবং শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ ডেপুটি স্পিকারের
সাবেক এমপি আব্দুল হাইয়ের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল হাই সিকদারের জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সাবেক এমপি আব্দুল হাইয়ের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ থেকে সৌদিগামী ১০৩ ফ্লাইট ব্যাহত, ভোগান্তিতে ১৫,৭৭৯ যাত্রী
সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার জেরে বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি ও ট্রানজিট রুটে চলাচলকারী ১০৩টি ফ্লাইটে বিঘ্ন ঘটেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ১৫ হাজার ৭৭৯ জন যাত্রী। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে এএসএম ফ্লাইট ম্যানেজমেন্ট। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, ব্যাহত হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ৪২টি সরাসরি এবং ৬১টি ট্রানজিট ফ্লাইট। সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যাহত হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৭টি ফ্লাইট। এ ছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের আটটি এবং রিয়াদ এয়ারের সাতটি ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে। এ ছাড়াও ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২২টি ফ্লাইট ব্যাহত হয়েছে ইন্ডিগোর। এ ছাড়া এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের আটটি, সালামএয়ারের সাতটি, ফ্লাইদুবাইয়ের ছয়টি, এয়ার ইন্ডিয়ার তিনটি এবং ইজিপ্টএয়ারের একটি ফ্লাইট ব্যাহত হয়েছে। বিমানবন্দরগুলোর কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় সৌদি আরব হয়ে সরাসরি ও সংযোগকারী ফ্লাইটে ভ্রমণকারী যাত্রীদের যাত্রা পরিকল্পনা ব্যাহত হয়েছে। গত সপ্তাহে সৌদি আরবের বেশ কয়েকটি বিমানবন্দরে ধারাবাহিক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার দেশটির রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার দায় স্বীকার করেছে ইরানপন্থী ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী। ওই হামলায় ১৩ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি আহত হন। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রবিবার রিয়াদ বিমানবন্দরে আরও একটি হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় একটি অজ্ঞাত বস্তু টার্মিনাল-৪-এ আঘাত হানলে আগুন ধরে যায় এবং ১১ জন আহত হন। এদিকে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, বিমানবন্দরের কাছে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। আরটিভি/এসআর
বাংলাদেশ থেকে সৌদিগামী ১০৩ ফ্লাইট ব্যাহত, ভোগান্তিতে ১৫,৭৭৯ যাত্রী
আরও পড়ুন
‘বিএনপির অতীতের সাফল্য রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নতুন উদ্যোগের অনুপ্রেরণা’
বাংলাদেশে আবার ফ্যাসিবাদ ফিরলে দায় জামায়াতকে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম উৎপাদন কেন্দ্র হতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
‘হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন’