ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

কৃষি কল সেন্টারে এক বছরে ৯২ হাজারের বেশি ফোনকল, বাড়ছে কৃষকদের আস্থা

বাসস

প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬, ০৭:১১ পিএম
কৃষি কল সেন্টার : ছবি সংগৃহীত

কৃষি কল সেন্টার থেকে এক বছরে ৯২ হাজারের বেশি ফোনকলে সেবা নিয়েছেন কৃষকরা। চাঁদপুর সদর উপজেলার ৬ নম্বর মৈশাদী ইউনিয়নের খলিশাডুলী গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গীর আলম হঠাৎ দেখেন, তার ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দিশেহারা হয়ে তিনি সরকারের কৃষি কল সেন্টারের ১৬১২৩ নম্বরে ফোন করেন। সেখান থেকে কৃষিবিদদের পরামর্শ নিয়ে ক্ষেতে তা প্রয়োগ করেন। এতে সমস্যার সমাধান হয়।

একইভাবে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মঙ্গলবাড়িয়া গ্রামের কৃষক সাদ্দাম হোসেনও ফসলের সমস্যা নিয়ে কৃষি কল সেন্টারে ফোন করেন। প্রয়োজনীয় পরামর্শ পেয়ে তিনিও উপকৃত হন।

জাহাঙ্গীর বা সাদ্দামই নন, দেশের হাজারো কৃষক কৃষিসংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে এখন নির্ভর করছেন সরকারের কৃষি কল সেন্টারের ওপর।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের (এআইএস) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত এক বছরে কল সেন্টারে মোট ৯২ হাজার ৯৪টি ফোনকল ধরা হয়েছে। কৃষিখাতে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল সেবার প্রতি কৃষকদের ক্রমবর্ধমান আস্থারই প্রতিফলন এটি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসেই সর্বোচ্চ ১০ হাজার ১৪১টি কল গ্রহণ করা হয়। মে মাসে ৯ হাজার ৯০৩টি এবং জুনে ৮ হাজার ৫৭৬টি কল আসে। বছরের শুরুতে কলের সংখ্যা তুলনামূলক কম ছিল। জানুয়ারিতে সর্বনিম্ন ৪ হাজার ৯২৬টি, ফেব্রুয়ারিতে ৫ হাজার ৩১৫টি এবং মার্চে ৬ হাজার ৫৭১টি কল গ্রহণ করা হয়। পরে বোরো ধান কাটার মৌসুম ও কৃষি কার্যক্রম বেড়ে যাওয়ায় কলের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

আরও পড়ুন

২০২৫ সালের জুলাইয়ে ৮ হাজার ৪০টি, আগস্টে ৮ হাজার ৮৯টি, সেপ্টেম্বরে ৮ হাজার ৪১৬টি, অক্টোবরে ৭ হাজার ৪০৯টি, নভেম্বরে ৭ হাজার ৯৮৬টি এবং ডিসেম্বরে ৬ হাজার ৭২২টি কল গ্রহণ করা হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ১৬১২৩ নম্বরে পরিচালিত কৃষি কল সেন্টার দেশের কৃষকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসেবা প্ল্যাটফর্ম। এখানে কৃষকরা সরাসরি কৃষিবিদদের সঙ্গে কথা বলে ফসল উৎপাদন, রোগবালাই দমন, সার ব্যবস্থাপনা, আবহাওয়া এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি বিষয়ে তাৎক্ষণিক পরামর্শ পাচ্ছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত এ সেবা বিশেষ করে গ্রামীণ কৃষকদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের তথ্যভিত্তিক সেবার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে।

এছাড়া ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার অংশ হিসেবে কৃষি খাতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। মোবাইল ফোনভিত্তিক সেবা, কৃষি অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও কল সেন্টারের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে দ্রুত ও সহজে তথ্য পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষি কল সেন্টারে কল সংখ্যা বৃদ্ধির প্রবণতা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত সেবা চালুর সম্ভাবনারই ইঙ্গিত দেয়। একই সঙ্গে এটি কৃষকদের সচেতনতা এবং আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধিরও প্রতিফলন।

আরও পড়ুন

কৃষি তথ্য সার্ভিসের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা শামীম হোসেন বলেন, কৃষি কল সেন্টার বর্তমানে দেশের কৃষকদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর তথ্যসেবা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কলের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে, যা আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এ সেবার প্রতি কৃষকদের আস্থার প্রমাণ।

ভবিষ্যতে এ সেবা আরও সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিগতভাবে সমৃদ্ধ করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকরাও সহজে এর সুফল পান বলেন তথ্য কর্মকর্তা শামীম।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালক মো. মসীহুর রহমান বলেন, কৃষি কল সেন্টার ইতোমধ্যে দেশের কৃষকদের জন্য সময়োপযোগী ও কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছে। প্রযুক্তিনির্ভর এ সেবার মাধ্যমে কৃষকরা দ্রুত সঠিক পরামর্শ পাচ্ছেন, যা উৎপাদন বৃদ্ধি ও ঝুঁকি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আমরা কৃষকদের প্রয়োজন অনুযায়ী সেবার মান আরও উন্নত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম বলেন, কৃষি খাতকে আরও আধুনিক, টেকসই ও উৎপাদনমুখী করতে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবার বিকল্প নেই। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে এটি কৃষকদের ব্যাপক আস্থা অর্জন করেছে। এতে উৎপাদন ব্যয় কমানো, রোগবালাই দমন এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হচ্ছে।

তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ে কৃষি সেবা পৌঁছে দিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নিরলসভাবে কাজ করছে। তবে দেশের বিস্তীর্ণ গ্রামীণ এলাকায় দ্রুত ও সমন্বিতভাবে তথ্য পৌঁছে দিতে কৃষি কল সেন্টার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।

মহাপরিচালক জানান, ভবিষ্যতে কৃষি কল সেন্টারের সেবা সম্প্রসারণ, দক্ষ জনবল বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন এবং তথ্যভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকরাও আরও সহজে ও দ্রুত মানসম্মত কৃষি পরামর্শ পাবেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের এ উদ্যোগ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
একদিনে ৩ বিভাগ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী
একদিনে দেশের তিনটি বিভাগ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের তিনটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানাবেন তিনি। এ সফর ঘিরে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি।
একদিনে ৩ বিভাগ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী
হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যোগ দিতে দেশ ছাড়লেন ৫০ সেনা
হাইতিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ অনুমোদিত গ্যাং সাপ্রেশন ফোর্সে (জিএসএফ) যোগ দিতে দেশ ছেড়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অগ্রবর্তী দলের ৫০ সদস্য।
হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যোগ দিতে দেশ ছাড়লেন ৫০ সেনা
সংসদ ভবন এলাকা পরিচ্ছন্ন ও সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখা, সবুজায়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক এ কথা জানান। তিনি জানান, পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের মাঠ, বাগান ও বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকার সার্বিক পরিবেশ, অবকাঠামোগত অবস্থা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। সহকারী প্রেস সচিব জানান, জাতীয় সংসদ প্লাজার সৌন্দর্য ও পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে নিয়মিত পরিচর্যা ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। মাঠ ও বাগান পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি বিদ্যমান গাছপালার সঠিক পরিচর্যা এবং সবুজায়ন কার্যক্রম জোরদার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও তিনি দেন। এছাড়া সংসদ প্লাজা ও এর আশপাশের এলাকায় যেসব স্থানে সংস্কার দরকার, সেগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সংস্কারকাজ সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক আরও জানান, জাতীয় সংসদ ভবনের স্বতন্ত্র স্থাপত্যশৈলী ও নান্দনিক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ ও এর সংলগ্ন এলাকায় নিয়মিত তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার নির্দেশও দেন তিনি। আরটিভি/টিআর
সংসদ ভবন এলাকা পরিচ্ছন্ন ও সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
পায়রা বন্দরে আন্ধারমানিক নদীর ওপর সেতুর ডেক নির্মাণ সম্পন্ন
পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনাল প্রকল্পের আওতায় আন্ধারমানিক নদীর ওপর সেতু নির্মাণ ও সংশ্লিষ্ট কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সেতুটির সর্বশেষ কংক্রিট ঢালাই সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে ডেক নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। এর ফলে পায়রা বন্দরের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের পথ আরও সুগম হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও যোগাযোগে নতুন সম্ভাবনা সেতুটি চালু হলে রাবনাবাদ নদীর তীরবর্তী চরিপাড়ায় অবস্থিত পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে খালাস করা পণ্য সরাসরি সড়কপথে ঢাকা ও দেশের অন্যান্য প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিবহন করা সম্ভব হবে। এর ফলে পরিবহনে সময় ও ব্যয় কমার পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার হবে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীরাও সরাসরি সড়কপথে বন্দরে যাতায়াত করতে পারবেন। পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে জানা যায় যে দেশি বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বন্দরের আওতাধীন শিল্পাঞ্চলে বিভিন্ন কলকারখানা স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এসব শিল্পকারখানায় বন্দরের মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে  বিদ্যুৎ সরবারহ নিশ্চিত করা হবে।এর ফলে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের পাশাপাশি বন্দরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং বন্দরকেন্দ্রিক অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করার সুযোগ তৈরি হবে। নতুন করে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে টার্মিনাল এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জনের মাত্র কয়েক দিন আগেই পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে আরেকটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। বিগত ৭ অক্টোবর সকালে চীনের পতাকাবাহী পণ্যবাহী জাহাজ ফান ঝৌ-৬ (Fan Zhou-6) সরাসরি প্রথম টার্মিনালে নোঙ্গর করেছে। জাহাজটিতে আধুনিক পণ্য ওঠানো-নামানোর পাঁচটি সরঞ্জাম আনা হয়েছে। দুই বছর পর এই প্রথম টার্মিনালে বড় ধরনের পরিচালন সরঞ্জাম পৌঁছাল।  নদীর উপযোগী বিশেষ নকশায় নির্মিত সেতু আন্ধারমানিক নদীর উপর নির্মিত সেতুটির দৈর্ঘ্য ১ হাজার ১৮০ মিটার। এক্সট্রাডোজড প্রযুক্তিতে নির্মিত সেতুটির টাওয়ারের উচ্চতা ৫৮ দশমিক ৫ মিটার। সেতুর মূল ডেকের প্রস্থ ২৩ দশমিক ২ মিটার এবং সংযোগ ডেকের প্রস্থ ২১ দশমিক ২ মিটার। সেতুতে প্রতিটি দিকে দুটি করে মোট চারটি লেন রয়েছে । আন্ধারমানিক নদীতে নৌযান চলাচল সব সময় সচল রাখার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সেতুটি মাত্র দুটি প্রধান পিলারের ওপর নির্মাণের নকশা করা হয়েছে। ফলে জাহাজ ও লঞ্চের নির্বিঘ্ন চলাচলের পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহও ঠিক থাকবে। ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি প্রথম পাইল স্থাপনের মধ্য দিয়ে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন (সিসিইসিসি) এবং চায়না রেলওয়ে ব্রিজ কনস্ট্রাকশন গ্রুপ (সিআরবিজি) যৌথভাবে সেতুটি নির্মাণ করছে। নির্মাণকাজ তদারকি করছে একটি কোরিয়ান পরামর্শক প্রতিষ্ঠান। নতুন সম্ভাবনার প্রতীক  নির্মাণকাজ প্রায় শেষের দিকে পৌঁছানোয় সেতুটি স্থানীয় মানুষের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীরা নির্মাণস্থলের পাশের ছয় লেনের সড়কে জড়ো হচ্ছে নদীর ওপর সেতুটির নির্মাণ অগ্রগতি দেখতে। প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী, রাতে সেতুটিতে এমনভাবে আলোকসজ্জা করা হবে, যাতে তা শাপলা ফুলের আকৃতি ফুটিয়ে তোলে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, সেতুটি শুধু যান চলাচলের সুবিধা বাড়াবে না; পায়রা বন্দরের সড়ক যোগাযোগ ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, স্থানীয় পরিবহন নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ এবং বন্দরের কার্যক্রম ও সম্প্রসারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, সেতুটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।  আরটিভি/টিআর
পায়রা বন্দরে আন্ধারমানিক নদীর ওপর সেতুর ডেক নির্মাণ সম্পন্ন
অধ্যক্ষ সম্মেলন ২৯ নভেম্বর, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত ২ হাজার ৩১৮টি কলেজের অধ্যক্ষদের নিয়ে আগামী ২৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ‘অধ্যক্ষ সম্মেলন-২০২৬’। রাজধানীর মিরপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামের এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
অধ্যক্ষ সম্মেলন ২৯ নভেম্বর, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী
আরও পড়ুন
কৃষককে কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেই কৃষিখাতের নীতি ও প্রযুক্তি নির্ধারণ করতে হবে: জহির উদ্দিন স্বপন
‘গভীর রাতে’ ধানক্ষেতে কীটনাশক স্প্রে, কৃষকের মাথায় হাত
মা ইলিশ রক্ষায় জেলেদের পাশে ‘ক্লিন চাঁদপুর’
ঝিরিপথ পেরিয়ে চবির শহীদ মিনারে পাহাড়ি শাকসবজির বাজার