দীর্ঘ দুই দশক পর দেশের ভিসানীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২০০৬ সালের পর এবার নতুন করে ভিসানীতির খসড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে আগে যেসব দেশ কালো তালিকাভুক্ত ছিল, নতুন খসড়াতেও সেই তালিকায় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক জোরদার, পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং পর্যটন খাতকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যেই নতুন ভিসানীতি প্রণয়ন করা হচ্ছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন খসড়ায় ভিসার জন্য মোট ৩৪টি পৃথক ক্যাটাগরি রাখা হয়েছে, যা আবেদনকারীদের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজন অনুযায়ী ভিসা ব্যবস্থাপনাকে আরও সুশৃঙ্খল ও কার্যকর করবে। এই নীতিমালা চূড়ান্ত করতে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটিও গঠন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
এদিকে নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক বিবেচনায় আগে থেকে যেসব দেশ বাংলাদেশের ভিসানীতিতে কালো তালিকাভুক্ত ছিল, নতুন খসড়াতেও সেসব দেশের অবস্থান অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। নতুন ভিসানীতির খসড়াটি পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পুনরায় মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।
আরটিভি/এআর



