রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল।
বুধবার (১৫ জুলাই) দিনব্যাপী এই সফরে তিনি দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নেন, জরুরি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ নানিয়ারচর-লংগদু সড়কটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সচল করার ঘোষণা দেন।
উপস্থিত বন্যাকবলিত সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, বিএনপি সবসময় জনগণের অধিকার ও কল্যাণের রাজনীতি করে, কারণ জনগণই এ দেশের প্রকৃত মালিক। দেশের এই কঠিন ও ক্রান্তিলগ্নে রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমান শক্ত হাতে হাল ধরেছেন। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন পাশে থাকলে আগামী ৫ বছরে লংগদু উপজেলার সড়ক, শিক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে কোনো ঘাটতি রাখা হবে না।
তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবারও যেন সরকারি বা বেসরকারি ত্রাণ সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হয়। প্রতিটি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের দুর্গত মানুষের ঘরে ঘরে পর্যায়ক্রমে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিতে হবে।
লংগদু উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নানিয়ারচর থেকে লংগদু সড়কটি এই অঞ্চলের লাইফলাইন। এই সড়কটি অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
ত্রাণ বিতরণ ও পরিদর্শনের এই বিশেষ কার্যক্রমে প্রতিমন্ত্রীর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন- লংগদু জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর মোর্শেদ, লংগদু উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহাঙ্গীর হোসাইন, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপেন তালুকদার দীপু, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ।
এছাড়াও রাঙ্গামাটি জেলা ও লংগদু উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী প্রাথমিক পর্যায়ে বন্যায় চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ২০টি পরিবারের হাতে জরুরি খাদ্য ও ত্রাণ সামগ্রী তুলে দিয়ে এই মানবিক সহায়তার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।
আরটিভি/এসএস




