কাঠমান্ডুস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সহযোগিতায় নেপালের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের সম্মানে একটি বিশেষ নৈশভোজ ও নেটওয়ার্কিং সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় কাঠমান্ডুর ম্যারিয়ট হোটেলে ‘সেকেন্ড সাউথ এশিয়া ট্রেড ফেয়ার ২০২৬’ উপলক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে নেপালের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতা, বিনিয়োগকারী, নীতিনির্ধারক, কূটনীতিক এবং মেলায় অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন। নেপালের ব্যবসায়িক সংগঠন এফএনসিসিআই, এনসিসি ও এনএফটিএ -এর প্রতিনিধিরা এই আয়োজনে অংশ নেন।
উল্লেখ্য, এবারের বাণিজ্য মেলায় তৈরি পোশাক, হস্তশিল্প, পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন খাতের মোট ২৪টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমান দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়া ও বস্ত্রশিল্পের মতো সম্ভাবনাময় খাতে বাংলাদেশের সক্ষমতার কথা তুলে ধরেন।
এছাড়া রাষ্ট্রদূত কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্প, জ্বালানি, পর্যটন ও আইসিটি খাতে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিপুল সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন। বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের মাধ্যমে আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির বিষয়টি ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে বলেও তিনি জানান।
উদ্বোধনী বক্তব্যের পর একটি কার্যকর নেটওয়ার্কিং সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এই সেশনে দুই দেশের উদ্যোক্তারা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, নতুন বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার নানা দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন। রাষ্ট্রদূত আশ্বস্ত করেন যে, উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের যেকোনো ধরনের সহায়তা দিতে দূতাবাস সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।
এর আগে দিনের প্রথম ভাগে কাঠমান্ডুস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে একটি বিজনেস-টু-বিজনেস (B2B) সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নেপালি ব্যবসায়ী নেতাদের সরাসরি আলোচনা ও নেটওয়ার্কিং অনুষ্ঠিত হয়।
আরটিভি/এআর




