পবিত্র রমজান মাসে সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরের সবচেয়ে বড় চাহিদা হয়ে দাঁড়ায় পানি। সেহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত দীর্ঘ সময় না খেয়ে-না পান করে থাকার কারণে শরীরে পানিশূন্যতার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে এ বছর রমজান শীতের শেষভাগ ও গ্রীষ্মের শুরুতে পড়ায়, রাতে হালকা ঠাণ্ডা থাকলেও দিনে শহর-গ্রাম উভয় জায়গাতেই তাপমাত্রা বাড়ছে। ফলে তৃষ্ণা, ক্লান্তি ও ডিহাইড্রেশনের আশঙ্কা আরও বেশি।
এ পরিস্থিতিতে ইফতারে কতটুকু পানি গ্রহণ করলে শরীর সুস্থ ও সতেজ থাকবে, তা নিয়ে অনেকেরই ধারণা নেই। রমজানে শরীরকে হাইড্রেট রাখতে ইফতার থেকে সেহরির মধ্যে প্রায় ১০ থেকে ১২ গ্লাস, অর্থাৎ আনুমানিক ২ থেকে ৩ লিটার তরল গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে একসঙ্গে অনেক পানি পান না করে অল্প অল্প করে বিরতি দিয়ে পান করাই ভালো। এতে শরীর সহজে পানি শোষণ করতে পারে এবং অস্বস্তি কম হয়।
রমজানে পানি পানের ক্ষেত্রে একটি সহজ নিয়ম অনুসরণ করা যেতে পারে। ইফতারের সময় ৪ গ্লাস পানি, মাগরিবের পর ২ গ্লাস, রাতের খাবারের পর ২ গ্লাস এবং সাহরির সময় ২ গ্লাস পানি পান করা ভালো। এই নিয়ম মেনে ধাপে ধাপে পানি পান করলে শরীর দীর্ঘ সময় হাইড্রেট থাকে।
পর্যাপ্ত পানি পান করলে রোজার সময় মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা এবং অতিরিক্ত ক্লান্তি কিছুটা কমে আসতে পারে। এছাড়া শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম সচল রাখা, হজম প্রক্রিয়া ঠিক রাখা এবং ত্বক ও কিডনির সুস্থতার জন্যও পানি অপরিহার্য।
আরটিভি/এমআই





