ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ইসলামে মিথ্যা বলার ভয়াবহ কঠিন শাস্তি 

আরর্টিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৬, ১০:২৫ এএম
ইসলামে মিথ্যা বলার ভয়াবহ কঠিন শাস্তি  । ছবি: সংগৃহীত

মিথ্যাকে ইসলামে অত্যন্ত গুরুতর গুনাহ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। একে বলা হয় সব পাপের মূল, কারণ একটি মিথ্যা থেকে আরও বহু অন্যায় ও পাপের জন্ম নিতে পারে। কুরআন ও হাদিসে মিথ্যাবাদীদের জন্য কঠিন শাস্তির সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে এবং সত্যবাদিতাকে জান্নাতের পথ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা’আলা বলেন,

“হে ঈমানদাররা! আল্লাহকে ভয় করো এবং সত্যবাদীদের সঙ্গে থাকো।” (সূরা আত-তাওবা, আয়াত: ১১৯)

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন,

“নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারী ও মিথ্যাবাদীদের সৎপথ দেখান না।” (সূরা গাফির, আয়াত: ২৮)

আরও বলা হয়েছে,

“অনুমানভিত্তিক মিথ্যাচারীরা ধ্বংস হোক।” (সূরা আয-যারিয়াত, আয়াত: ১০)

আরও পড়ুন

আল্লাহ তা’আলা আরও সতর্ক করে বলেন,

“যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে, কিয়ামতের দিন তুমি তাদের চেহারা কালো দেখতে পাবে।” (সূরা আয-যুমার, আয়াত: ৬০)

রাসূলুল্লাহ (সা.) সত্য বলার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন,

“তোমরা সত্যকে আঁকড়ে ধরো, কারণ সত্য পুণ্যের দিকে নিয়ে যায়, আর পুণ্য জান্নাতের দিকে নিয়ে যায়। আর মিথ্যা থেকে দূরে থাকো, কারণ মিথ্যা পাপের দিকে নিয়ে যায়, আর পাপ জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়।” (সহীহ মুসলিম, হাদিস: ২৬০৭)

তিনি আরও বলেছেন,

“তোমরা মিথ্যা থেকে দূরে থাকো, কারণ মিথ্যা ঈমানের পরিপন্থী।” (ইবনে আবি শায়বা, হাদিস: ২৬১১৫)

আরেক হাদিসে তিনি বলেন,

“সত্য হলো প্রশান্তি আর মিথ্যা হলো সন্দেহ।” (সুনান তিরমিজি, হাদিস: ২৫১৮)

ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, মিথ্যা শুধু সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করে না, বরং এটি মানুষের অন্তরকে অশান্ত ও সংকুচিত করে দেয়। তাই একজন মুমিনের উচিত সবসময় সত্য কথা বলা এবং মিথ্যা থেকে সম্পূর্ণভাবে দূরে থাকা, যাতে দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তি ও সফলতা অর্জন করা যায়।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্ত্রীকে ‘বোন’ বা স্বামীকে ‘ভাই’ ডাকলে কি বিয়ে ভেঙে যায়?
স্বামী স্ত্রীকে ‘বোন’ কিংবা স্ত্রী স্বামীকে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করলে কি বৈবাহিক সম্পর্কের অবসান ঘটে? এমন প্রশ্ন অনেকের মনেই রয়েছে।
স্ত্রীকে ‘বোন’ বা স্বামীকে ‘ভাই’ ডাকলে কি বিয়ে ভেঙে যায়?
আজকের নামাজের সময়সূচি
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম একটি হলো নামাজ। পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে এটি দ্বিতীয়। সে কারণে নামাজ নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করা জরুরি।
আজকের নামাজের সময়সূচি
কন্যাসন্তান নিয়ে কোরআন যা বলেছে
কন্যাসন্তানের জন্মকে অপমান নয়, সুসংবাদ হিসেবে উল্লেখ করেছে কোরআন। মেয়ের প্রতি অবহেলা, উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা এবং বিয়েতে মতামত উপেক্ষা করার বিষয়ে রয়েছে ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা।
কন্যাসন্তান নিয়ে কোরআন যা বলেছে
যেভাবে এলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
কালেমার পর ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ হলো নামাজ। নামাজ আদায়ের ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে ৮২ বার বলা হয়েছে। তাই দৈনিক  পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ওয়াক্তমতো আদায় করা প্রাপ্তবয়স্ক, বুদ্ধি-জ্ঞানসম্পন্ন নারী ও পুরুষের ফরজ করা হয়েছে। কিন্তু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কীভাবে এলো সে বিষয়ে জানবো।
যেভাবে এলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
মানুষের চোখে ছোট, আল্লাহর কাছে বড় ৭ আমল
মানুষের চোখে সাধারণ মনে হলেও আল্লাহর কাছে মূল্যবান হতে পারে ছোট ছোট কিছু নেক আমল। হাসিমুখে কথা বলা, রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেওয়া কিংবা গোপনে কারও জন্য দোয়া করার মতো কাজও হতে পারে সওয়াব অর্জনের মাধ্যম।
মানুষের চোখে ছোট, আল্লাহর কাছে বড় ৭ আমল
আরও পড়ুন
লাইভে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা দিয়ে পুলিশ বাবাকে ‘মিথ্যাবাদী’ বললেন মেয়ে
আসিফ নজরুল একজন শিক্ষক হয়ে এভাবে মিথ্যা বলবে ভাবিনি: সালাউদ্দিন
তারেক রহমানের বক্তব্যের খণ্ডিত অংশ নিয়ে মিথ্যা প্রচারণা
‘নির্বাচনের পূর্বে যারা মিথ্যা বলছে, তাদের একটাই পরিচয় তারা মিথ্যাবাদী\'