পবিত্র আশুরার রোজা ও মহররমের ফজিলতপূর্ণ আমল

আরর্টিভি নিউজ

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ , ০৮:৩৪ এএম


পবিত্র আশুরার রোজা ও মহররমের ফজিলতপূর্ণ আমল
এক বছরের গুনাহ মাফের আশা, আসছে পবিত্র আশুরা । ছবি: সংগৃহীত

মহররম হিজরি বছরের প্রথম মাস এবং ইসলামের চারটি সম্মানিত মাসের অন্যতম। এ মাসকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছেন মহান আল্লাহ। 

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন,

"নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে মাসের সংখ্যা বারোটি। এর মধ্যে চারটি সম্মানিত মাস।" 
— সূরা তাওবা, আয়াত: ৩৬

ইসলামী ইতিহাসে মহররম মাসের গুরুত্ব অনেক। এই মাসের ১০ তারিখকে বলা হয় আশুরা। দিনটি বহু ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। একই সঙ্গে আশুরার রোজার ফজিলতও অত্যন্ত বেশি।

হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ইবনু আব্বাস (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের পর আশুরার রোজাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেন।
— সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৮৮০

আরও পড়ুন

রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন,

"রমজানের রোজার পর আল্লাহর মাস মহররমের রোজাই সর্বোত্তম।"
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৬২৭

ইসলামে শুধু ১০ মহররমে একটি রোজা রাখার পরিবর্তে ৯ ও ১০ মহররম অথবা ১০ ও ১১ মহররম মিলিয়ে দুটি রোজা রাখার নির্দেশনা রয়েছে। ইহুদিদের সঙ্গে সাদৃশ্য এড়াতেই নবীজি (সা.) অতিরিক্ত একটি দিন রোজা রাখার কথা বলেছেন।
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৫৫৬

আশুরার রোজার ফজিলত সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,

"আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, আশুরার রোজা পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহের কাফফারা হয়ে যাবে।"
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৬১৭

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষণা অনুযায়ী, এ বছর ২৬ জুন (শুক্রবার) পবিত্র আশুরা পালিত হবে। তাই সুন্নত অনুযায়ী ৯ ও ১০ মহররম অথবা ১০ ও ১১ মহররম রোজা রাখা যাবে।

আলেমরা বলেন, মহররম মাসে বেশি বেশি নফল রোজা, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার, দরুদ শরিফ, দান-সদকা ও তওবা-ইস্তিগফার করা উচিত। পাশাপাশি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজসহ সব ফরজ ইবাদতের প্রতি আরও বেশি যত্নবান হওয়া প্রয়োজন।

মহররম শুধু রোজার মাস নয়; বরং গুনাহ থেকে দূরে থাকা, আল্লাহর দিকে ফিরে আসা এবং ইবাদতে নিজেকে আরও বেশি সম্পৃক্ত করার একটি সুবর্ণ সুযোগ। 386609 

 

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission