নিষেধাজ্ঞার পর দুদিনের বিক্ষোভের মধ্যে রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে বাধা নেই বলে জানিয়েছে সরকার।
সোমবার (২০ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে নির্দেশনা দেন।
এরই মধ্যে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে ব্যাটারিচালিত যানবাহন তৈরির চিন্তা করছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নির্দেশনা দ্রুতই বিআরটিএতে পাঠানো হবে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যাটারিচালিত যানবাহনে বিপত্তি হলো, নিয়ন্ত্রণহীনভাবে চলায় ঘটে দুর্ঘটনা। দেখা দেয় যানজটও। বিজ্ঞানসম্মতভাবে অল্প টাকায় বিদ্যুৎচালিত অটোরিকশা তৈরি সম্ভব। এতে সড়ক নিরাপত্তা বাড়াবে। নীতিমালার মাধ্যমে নিয়মের আওতায় এনে বাহনটির নকশা বদলে ঝুঁকিমুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
দেশের রিকশা কিংবা ইজিবাইকের এই বিবর্তনের নানা বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক জিয়াউর রহমান খান। তিনি বলছেন, ব্যাটারি চালিত রিকশার ঝুঁকির বিষয়গুলো।
অধ্যাপক জিয়াউর রহমান খান বলেন, নতুন নকশার এই রিকশাগুলো প্যাডেল দিয়ে চালানোর জন্যই ডিজাইন করা। রিকশার সেন্টারটা ওপরে উঠে আসে। তবে এটা যখন কর্নার করবে, তখন এটা উল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
জিয়াউর রহমান খান বলেন, ইজিবাইক বা মিশুকের ভেরিয়েন্টগুলো বাংলাদেশের জন্য খুবই মানানসই। এটার খরচ খুব কম। এক কিলোমিটারে এই নতুন গাড়িগুলোর খরচ মাত্র এক টাকা।
এই খাতের সাথে জড়িতরা একমত এই গবেষকের বক্তব্যের সঙ্গে। কেননা, দেশের সর্বত্রই ব্যাটারিচালিত এই যানের চলাচলের জন্য টাকা নানা ঘাটে। কিন্তু তা যায় না রাষ্ট্রীয় কোষাগারে।
রিকশাচালকরা বলেন, রিকশাগুলো সিটি করপোরেশনের নিয়ে যাওয়াই ভালো হবে। এতে করে রাষ্ট্র ও চালকরা সবাই উপকৃত হবে।
যেহেতু কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা নেই। তাই সারা দেশে এই যানের সংখ্যা কত সে হিসাব নেই কারও কাছে। তবে এই সংখ্যা ৪০ লাখের কম হবে না বলছেন সংশ্লিষ্টরা।




