ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ফেডারেশন কাপ

মোহামেডান ও রহমতগঞ্জের ৬-০ গোলের বড় জয়

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:২৩ পিএম
ছবি- সংগৃহীত

চলতি মৌসুমে ফেডারেশন কাপে হার দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। গ্রুপের প্রথম ম্যাচে রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটির কাছে ১–০ গোলের হারে সাদাকালো শিবির। তবে আজ দ্বিতীয় ম্যাচে চট্টগ্রাম আবাহনীকে ৬–০ গোলের বড় ব্যবধানে হারানোয় সে হতাশা কিছুটা হলেও কাটিয়ে উঠবে মোহামেডান।

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনাতে চট্টগ্রাম আবাহনীকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলাই করেছেন আলফাজ আহমেদের শিষ্যরা।

শুরুতে কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা অবশ্য ছিল চট্টগ্রাম আবাহনীর। তবে ওপরে উঠে আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে নিজেদের রক্ষণকে বারবার ঝুঁকির মুখে ফেলেছে চট্টগ্রাম আবাহনী। ১১ মিনিটে চট্টগ্রাম আবাহনীর রক্ষণকে গোলকধাঁধায় ফেলে এগিয়ে যায় মোহামেডান। আরিফ হোসেনের পাস থেকে গোল করেন উজবেক মিডফিল্ডার মোজাফফরভ। তিন মিনিট পরই আবার আরিফের সহায়তা, যদিও গোলটা এবার তিনিও করতে পারতেন।

রক্ষণকে বোকা বানিয়ে প্রায় ফাঁকায় উঠে আরিফ সোলেমান দিয়াবাতের দিকে বল বাড়িয়ে দিলে বাকি কাজটা করতে মোহামেডান অধিনায়ক কোনো ভুল করেননি। ২–০ গোলে পিছিয়ে পড়া চট্টগ্রাম আবাহনী প্রথমার্ধে মোহামেডানকে মাঝেমধ্যে চোখ–রাঙানোর চেষ্টা করেছে ঠিকই, কিন্তু গোল করার মতো আক্রমণ গড়তে পারেনি।

দ্বিতীয়ার্ধের ৫১ মিনিটে তৃতীয় গোল পায় মোহামেডান। তরুণ উইঙ্গার রাজু আহমেদ জিশান ডান প্রান্ত দিয়ে ঢুকে ক্রস করলে লাফিয়ে উঠে হেডে গোল করেন আরিফ হোসেন। ৬৯ মিনিটে রাজু আহমেদ জিশান স্কোরলাইন ৪–০ করেন। আরিফের আরও একটি সহায়তা থেকে ৭৭ মিনিটে মোহামেডানকে ৫–০–তে এগিয়ে দেন আরেক তরুণ সৌরভ দেওয়ান। চট্টগ্রাম আবাহনীর কফিনে শেষ গোলটি করেন জুয়েল মিয়া, ৮০তম মিনিটে।

প্রথম ম্যাচে মোহামেডানকে হারিয়ে উড়তে থাকা রহমতগঞ্জ আজ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেও ফুরফুরে মেজাজেই ছিল। ময়মনসিংহের রফিকউদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে ইয়াংমেন্স ফকিরেরপুলের বিপক্ষে নাবিব নেওয়াজের হ্যাটট্রিকে পুরান ঢাকার দলটি জয় তুলে নিয়েছে ৬–০ গোলে।

১২ মিনিটে মিরাজ হোসেন অপির গোলে এগিয়ে যাওয়া রহমতগঞ্জ প্রথমার্ধ শেষ করে ২–০ গোলে এগিয়ে থেকে। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে নিজের গোলের খাতা খোলেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক স্ট্রাইকার নাবিব নেওয়াজ। ৫৬ মিনিটে করেন নিজের দ্বিতীয় গোল (৩–০)। ৫৩ মিনিটে ঘানার ফরোয়ার্ড ‌স‌্যামু‌য়েল বো‌য়ে‌টেং রহমতগঞ্জকে ৪–০ গোলে এগিয়ে দেন। ৭২ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন নাবিব নেওয়াজ (৫–০)। যোগ করা সময়ে গোল করে ফাহিম নূর তোহা ব্যবধান নিয়ে যান ৬–০–তে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিপিএল ২০২৫ / নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক জয় রংপুরের
ঢাকা ক্যাপিটালসকে হারিয়ে বিপিএলের ১১তম আসরে শুভসূচনা করেছে গ্লোবাল সুপার লিগের চ্যাম্পিয়ন দল রংপুর রাইডার্স। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেও। সিলেটকে ৩৪ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে ব্যাক টু ব্যাক জয় পেয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের দলটি। চার উইকেট তুলে নিয়ে এই জয়ের অন্যতম নায়ক নাহিদ রানা। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) আগে ব্যাট করে সিলেটকে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল রংপুর। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলতে পারে সিলেট। এতে ৩৪ রানের জয় পায় রংপুর রাইডার্স। চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি সিলেট। ৩ বলে ২ রান করে দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফেরেন জর্জি মানজি। তিনে ব্যাট করতে নেমে ইনিংস বড় করতে পারেননি জাকির হাসানও। ১২ বলে ১৮ রান করে বোল্ড আউট হন এই বাঁহাতি ওপেনার। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি পল স্ট্রালিংও। ৫ বলে ৬ রান করে এই আইরিশ ব্যাটার আউট হলে ৪৩ রানে ৩ উইকেট হারায় সিলেট। তবে জাকের আলীকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন ওপেনার রনি তালুকদার। দুজনের ব্যাটে জয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকে সিলেট।  কিন্তু ১৫তম ওভারে রনি তালুকদারকে বোল্ড করেন খুশদিল শাহ। এর আগে ৩৬ বলে ৪১ রান করেন রনি। পরের বলে আরিফুল হককে ডাক আউট করে রংপুরকে খেলায় ফেরান খুশদিল শাহ। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করতে থাকেন জাকের আলী। তবে ১৬তম ওভারে দ্বিতীয় বলে ২৪ রান করে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটারকে ফিরিয়ে উল্লাস শুরু করে পেসার নাহিদ রান। এরপর তানজিম হাসান সাকিব (৩), নাহিদুজ্জামান (১) এবং শিনওয়ারি ৮ রান করে আউট হন। শেষ পর্যন্ত রিস টপলি ৫ রানে এবং আল আমিন ৩ রানে অপরাজিত থাকলেও নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলতে পারে সিলেট। এতে ৩৪ রানের জয় পায় সোহান-মাহেদীরা। রংপুর রাইডার্সের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন নাহিদরা। এ ছাড়াও খুশদিল শাহ ও সাইফউদ্দিন দুটি করে উইকেট নেন। আর এক উইকেট নেন কামরুল হাসান। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রংপুর। ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইংলিশ ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৭ বলে ৪ রান করে তাকে সঙ্গে দেন সাইফ হাসান। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি আরেক ওপেনার স্টিভেন টেইলর। ১৫ বলে ১২ রান করেন তিনি। তবে ইফতেখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন খুশদিল শাহ। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ১৬ বলে ২১ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন এই পাক অলরাউন্ডার। ষষ্ঠ উইকেপ ইফতেখারকে সঙ্গ দেন নুরুল হাসান সোহান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১৬তম ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে রংপুর। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে সোহানকে সাজঘরে ফেরান আরিফুল ইসলাম। ২৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি। এরপর পিচে এসে বলে বলে বাউন্ডারি মারতে থাকেন শেখ মাহেদী। শেষ দিকে মাহেদী ৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলেও ইফতেখারের ২৪ বলের অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে ১৫৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেয়েছিল রংপুর। আরটিভি/এসআর/এআর  
নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক জয় রংপুরের
পুলিশকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস
জয় দিয়ে বছরটা রাঙিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। বছরের শেষ ম্যাচে কষ্টার্জিত হলেও জয়ে ফিরল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। বসুন্ধরা কিংস ফেডারেশন কাপ শুরু করেছিল ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে জয় দিয়ে। মাঝখানে ফর্টিস এফসির কাছে হেরেছে। আজ কিংস অ্যারেনায় নিজেদের গ্রুপের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ পুলিশ এফসিকে ৩–২ গোলে হারিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। ঘরের মাঠে কিংস অ্যারেনায় জয়ে পেতে মরিয়া বসুন্ধরা ম্যাচের শুরুতেই গোলের দেখা পায়। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে তপু বর্মণের গোলে এগিয়ে গেলেও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি বসুন্ধরার উল্লাস। ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই পুলিশ সমতা ফেরে আল আমিনের গোলে। তবে পাল্টা আক্রমণে ম্যাচের ১১তম মিনিটে ব্রাজিলিয়ান মিগুয়েল ফেরেইরার গোলে আবারও এগিয়ে যায় কিংস। ২৫ মিনিটে গোলরক্ষক রাকিবুল তুষার ও সাগর মিয়ার ভুমিকায় পুলিশ গোল হজম করা থেকে রক্ষা পায়। ৩৪ মিনিটে রাকিবকে আরেকবার হতাশ করেন গোলরক্ষক তুষার। প্রথমার্ধের খেলা ২–১ ব্যবধানে থেকে শেষ করে দুই দল। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে স্কোরলাইন ৩–১ করেন কিংসের আরেক ব্রাজিলিয়ান জোনাথন ফার্নান্দেজ। ৫৪ মিনিটে পুলিশের আল আমিন নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ব্যবধান ৩–২ করে খেলা জমিয়ে তুলেছিলেন। তবে পাল্টাপাল্টি আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে কিংসকে চোখ রাঙালেও শেষ পর্যন্ত দারুণ কিছু করতে পারেনি পুলিশ। এ ম্যাচে পুলিশ হারলেও চলতি মৌসুমে দারুণ ফর্মে থাকা দলটির স্ট্রাইকার আল আমিনের ২টি গোলই নজর কেড়েছে। অষ্টম মিনিটে ঈসা ফয়সালের ক্রস থেকে আল আমিনের প্রথম গোলটি ছিল সুযোগের সন্ধানে থাকার ফল। প্রিমিয়ার লিগে ৬ গোল করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা আল আমিনের দ্বিতীয় গোলটি ছিল অসাধারণ। সৈয়দ কাজেমের ডিফেন্সচেরা থ্রু ধরে কিংসের গোলকিপার মেহেদী হাসানকে কাটাতে গিয়ে বাঁ পাশে সরে গেলেও বেশ কঠিন অ্যাঙ্গেল থেকে বল জালে পাঠান আল আমিন।  কুমিল্লার ভাষাসৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে দিনের অন্য খেলায় জয় কুমারের জোড়া গোলে বড় জয় পেয়েছে ফর্টিস এফসি। ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে তারা হারিয়েছে ৩–০ গোলে।  আরটিভি/এমএম
পুলিশকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে রংপুর রাইডার্স। এই ম্যাচে আগে ব্যাট করে সিলেটকে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে নুরুল হাসান সোহানের দল। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রংপুর। ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইংলিশ ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৭ বলে ৪ রান করে তাকে সঙ্গে দেন সাইফ হাসান। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি আরেক ওপেনার স্টিভেন টেইলর। ১৫ বলে ১২ রান করেন তিনি। তবে ইফতেখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন খুশদিল শাহ। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ১৬ বলে ২১ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন এই পাক অলরাউন্ডার। ষষ্ঠ উইকেপ ইফতেখারকে সঙ্গ দেন নুরুল হাসান সোহান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১৬তম ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে রংপুর। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে সোহানকে সাজঘরে ফেরান আরিফুল ইসলাম। ২৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি। এরপর পিচে এসে বলে বলে বাউন্ডারি মারতে থাকেন শেখ মাহেদী। শেষ দিকে মাহেদী ৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলেও ইফতেখারের ২৪ বলের অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে ১৫৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় রংপুর। সিলেট স্ট্রাইকার্সের হয়ে দুই উইকেট শিকার করেন আল আমিন হোসেন ও তানজিম সাকিব। এ ছাড়াও সাইমুল্লাহ শিনওয়ারি ও রিস টপলি এক করে উইকেট নেন। আরটিভি/এসআর/এআর  
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
বিপিএলে ধারাভাষ্য দিলেন বিসিবি সভাপতি
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ১১তম আসরে ধারাভাষ্যকার হিসেবে দেখা গিয়েছে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদকে। এই সময় ধারাভাষ্য কক্ষে বেশ কিছু সময় পার করেন তিনি।   মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনা টাইগার্স এবং চট্টগ্রাম কিংসের মধ্যকার ম্যাচের কিছু সময় ধারাভাষ্য দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদ। এদিন ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ধারাভাষ্য কক্ষে প্রবেশ করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ফারুক। এরপর কিছুক্ষণ বাংলায় ধারাভাষ্য দেন তিনি। এসময় খুলনার ছুঁড়ে দেওয়া ২০৪ রানের টার্গেট তাড়া করছিল চট্টগ্রাম। ধারাভাষ্য কক্ষ থেকে বের হয়ে প্রেস বক্সে সাংবাদিকদের সাথে দেখা করেন ফারুক। সেখানে ধারাভাষ্য করার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ফারুককে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমাকে বল-টু-বল ধারাভাষ্য করতে হয়নি। আমি একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছি।’ আরটিভি/এমএম
বিপিএলে ধারাভাষ্য দিলেন বিসিবি সভাপতি
থমাসের নো বল নিয়ে সন্দেহ, আবারও দেখতে চান কোচ তালহা
বিপিএলের তৃতীয় ম্যাচে চিটাগংকে ৩৭ রানে হারিয়েছে খুলনা টাইগার্স। এই ম্যাচের দ্বিতীয় প্রথম ইনিংসে বোলিংয়ে এসে ১ বলে ১৫ রান খরচ করে রেকর্ড গড়েছেন ওশানে থমাস। তবে তার একটি নো বলের সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন খুলনার কোচ তালহা জুবায়ের। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনার দেওয়া ২০৪ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হন নাইম শেখ। তবে নো বল হওয়ায় সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছেন। আর নো বলের ভিডিওটা টিভিতে না দেখানোই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তালহা। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে খুলনার কোচ বলেন, প্রথম বলে দেখলাম উইকেট পড়েছে গেছে; তারপর দেখি যে নো বল। আমার ওই নো বল নিয়ে একটি সন্দেহ আছে। কারণ, আমি এটি রিপ্লেতে দেখতে পারিনি। এটা দেখানো উচিত ছিল। আমি এটি দেখতে চাইব। এক বলে ১৫ রান দেওয়া নিয়ে তিনি বলেন, এরকম আগে দেখিনি নো বল ওয়াইড আবার নো বল, ফ্রি হিট। আর হয়তো থমাসও শুরুটা ভালো করতে পারেনি। আর এমনিতেই ওর নো বল দেওয়ার প্রবনতা রয়েছে। জাতীয় দলের হয়েও প্রায় নো বল করতে দেখা যায়। নো বল দেওয়ার জন্য থমাসের ফিটনেসকে দায়ী করেছেন তালহা। তার ভাষ্য, আসলে ওর যে ফিটনেস সেটা পেস বোলার হিসেবে ঠিক নেই। আর নিজের ফিটনেস এবং রানিং নিয়ে হয়তো এর আগে কোনো কাজ করেনি। তাই নো বল দেওয়ার প্রবনতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। তবে ১ বলে ১৫ রান এটা নতুন। নাইম ইসলামের বিপক্ষে ওশান থমাস ইনিংসের প্রথম বলেই ক্যাচ লুফে নেন তিনি। আম্পায়ারের কলে সেটা ছিল নো বল। ফ্রি-হিটের পরের বলে ছিল ডট। সেটা ছিল লিগ্যাল ডেলিভারি। এরপরেই আসে ওশান থমাসের লিগ্যাল ডেলিভারির জন্য লম্বা সংগ্রাম। নো বলে ৬ রান হজম করেছেন। এরপর দুই ওয়াইড বল। পরের নো বলে হজম করেছেন ৪ রান। ততক্ষণে চলে এসেছে ১৪ রান। স্কোরবোর্ডে ১ বলের পাশে ১৫ রান। শেষ পর্যন্ত বৈধ বল ওশান থমাস করেছেন। সেটায় ছিল ডট। তারপর ফের একটা নো-বল। সেই বলেও ক্যাচ হয়েছিলেন নাইম। দ্বিতীয়বার জীবন পান ওই এক ওভারেই। ফ্রি-হিটের পর অবশ্য নিজেকে আর বাঁচাতে পারেননি অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। বোসিস্টোর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয় তাকে। এর আগে এক বলে ১৩ রান নিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন ভারতের ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল। চলতি বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এমন কীর্তি গড়েছিলেন ভারতের এই ওপেনার। অবশ্য সেবার ৭ রান তিনি পেয়েছিলেন নো-বল থেকে আর ১টা ছিল ছক্কার মার। এর আগে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) এর ম্যাচে ১ বলে ১৪ রান তুলেছিলেন ওশান থমাস। আরটিভি/ এসআর  
থমাসের নো বল নিয়ে সন্দেহ, আবারও দেখতে চান কোচ তালহা
আরও পড়ুন
পুলিশকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস
শীর্ষে থেকেই বছর শেষ করল লিভারপুল 
টিভিতে আজকের খেলা 
আমেরিকান প্রবাসী জায়ানের সঙ্গে যেসব কথা হলো বাফুফের