ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

অর্ধশতাব্দী পর চাঁদে ঐতিহাসিক মানব অভিযান, যাচ্ছেন নারীসহ ৪ নভোচারী

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পর আবারও চাঁদকে ঘিরে ঐতিহাসিক মানব অভিযানে যাচ্ছে চার নভোচারীর একটি দল। মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা পরিচালিত ‘আর্টেমিস-২’ মিশনের মাধ্যমে এই দলটি চাঁদের কক্ষপথ ঘুরে পৃথিবীতে ফিরবে। এই অভিযানে থাকছেন প্রথম নারী, প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি এবং প্রথম কানাডীয় নভোচারী, যা মহাকাশ অনুসন্ধানের ইতিহাসে নতুন বৈচিত্র্যের দিগন্ত উন্মোচন করছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, এই মিশনে অংশ নিচ্ছেন রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কচ এবং জেরেমি হ্যানসেন। তারা চাঁদের অদৃশ্য পাশ অতিক্রম করে প্রায় ১০ দিনের এক উচ্চঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় অংশ নেবেন। এ সময়ে তারা প্রায় ৬ লাখ মাইল বা ৯ লাখ ৬৫ হাজার ৬০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করবেন।

‘আর্টেমিস-২’ মিশনে নভোচারীদেরকে মহাকাশের বিপজ্জনক মাত্রার বিকিরণের মুখোমুখি হতে হবে। পাশাপাশি চাঁদের অদৃশ্য পাশে অবস্থানের সময় পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগও সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হতে পারে।

এ ছাড়া মিশনে ব্যবহৃত ‘ওরিয়ন’ মহাকাশযান এবং ‘স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (এসএলএস)’ রকেট নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। প্রায় দুই দশক ধরে উন্নয়ন এবং ৪০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় সত্ত্বেও এসব প্রযুক্তিতে এখনও কিছু সীমাবদ্ধতা ও ত্রুটি রয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

মিশনের সদস্যরা নিজেরাও এই অভিযানের ঝুঁকির বিষয়টি স্বীকার করেছেন। কানাডীয় নভোচারী জেরেমি হ্যানসেন জানিয়েছেন, মহাকাশযানে কোনো সমস্যা দেখা দিলে বা পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হতে পারে এ নিয়েও তিনি পরিবারকে প্রস্তুত করেছেন।

তবে সব ঝুঁকি সত্ত্বেও নভোচারীরা এই মিশনকে মানবজাতির ভবিষ্যৎ মহাকাশ অভিযানের বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার যৌথ এই কর্মসূচি নতুন বৈশ্বিক মহাকাশ প্রতিযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

নাসার এই মিশনটি চাঁদে অবতরণ করবে না। এটি মূলত একটি পরীক্ষামূলক মানব উড্ডয়ন, যা ভবিষ্যতের ‘আর্টেমিস-৩’ মিশনের জন্য পথ প্রস্তুত করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ‘আর্টেমিস-৩’ মিশনে নভোচারীরা চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করবেন।

নাসার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো চাঁদে মানুষের স্থিতিশীল উপস্থিতি নিশ্চিত করা, যা ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানব অভিযান পরিচালনার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

কারা যাচ্ছেন এই ঐতিহাসিক মিশনে

রিড ওয়াইজম্যান: মিশনের কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর পরীক্ষামূলক পাইলট। তিনি ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ১৬৫ দিন কাটিয়েছেন। এই মিশনে তিনি সঙ্গে নিচ্ছেন একটি খালি নোটকার্ড, যেখানে নিজের অভিজ্ঞতা লিখে রাখবেন।

৫০ বছর বয়সী এই নভোচারী ২০০৯ সালে নাসার নভোচারী দলে যোগ দেন। তার স্ত্রী ক্যারল টেইলর ওয়াইজম্যান ২০২০ সালে ক্যানসারে মারা যান। মিশনে যাওয়ার আগে তিনি তার দুই কন্যাকে জীবনের অনিশ্চয়তা সম্পর্কেও প্রস্তুত করেছেন।

ভিক্টর গ্লোভার: ৪৯ বছর বয়সী ভিক্টর গ্লোভার এই মিশনের পাইলট। তিনি হবেন প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি, যিনি গভীর মহাকাশে যাবেন। ২০২০ সালে তিনি স্পেসএক্সের ক্রু-১ মিশনে অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ছয় মাস কাটিয়েছেন।

তিনি সঙ্গে নিচ্ছেন একটি ধর্মগ্রন্থ এবং কিছু পারিবারিক স্মারক। গ্লোভারের ভাষায়, প্রযুক্তি যত উন্নতই হোক, মহাকাশযানে মানুষের মৌলিক প্রয়োজন ও মানসিক প্রস্তুতির গুরুত্ব অপরিসীম।

ক্রিস্টিনা কচ: ক্রিস্টিনা কচ এই মিশনের মিশন স্পেশালিস্ট এবং তিনিই হবেন প্রথম নারী, যিনি চাঁদের পথে যাত্রা করবেন। ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে গিয়ে তিনি ৩২৮ দিন মহাকাশে অবস্থান করে রেকর্ড গড়েন।

তিনি সঙ্গে নিচ্ছেন প্রিয়জনদের হাতে লেখা চিঠি। কচ বলেন, এই মিশন তাকে মহাবিশ্বে নিজের অবস্থান নতুনভাবে উপলব্ধি করতে সাহায্য করবে।

জেরেমি হ্যানসেন
কানাডার জেরেমি হ্যানসেন প্রথমবারের মতো মহাকাশে যাচ্ছেন। তিনি হবেন প্রথম কানাডীয় নভোচারী, যিনি চাঁদ মিশনে অংশ নেবেন। তিনি সঙ্গে নিচ্ছেন চারটি চাঁদের আকৃতির লকেট, যেগুলোর অনুরূপ তিনি তার স্ত্রী ও সন্তানদেরও দিয়েছেন।

ফাইটার পাইলট হিসেবে প্রশিক্ষিত হ্যানসেন বিশেষভাবে গুহা ও পানির নিচে বিচ্ছিন্ন পরিবেশে কাজের প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, যা তাকে এই মিশনের জন্য মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত করেছে।

‘আর্টেমিস-২’ শুধু প্রযুক্তিগত বা বৈজ্ঞানিক মিশন নয়, এটি মানব মহাকাশ অভিযানে নতুন প্রতিনিধিত্ব, নতুন সাহস এবং ভবিষ্যতের মহাজাগতিক স্বপ্নের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।


আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এআই কনটেন্ট শনাক্তের উদ্যোগ জোরদার করছে টিকটক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি কনটেন্ট চেনা, বোঝা এবং দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহারের জন্য বিশেষ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ‘টিকটক’।
এআই কনটেন্ট শনাক্তের উদ্যোগ জোরদার করছে টিকটক
স্টারলিংকের প্রথম মাসের ফ্রি মোবাইল সেবা, চালু করবেন যেভাবে
মোবাইল টাওয়ারের নেটওয়ার্কের বাইরে থেকেও যোগাযোগের সুযোগ দিতে আসছে স্যাটেলাইটভিত্তিক মোবাইল সেবা। বাংলালিংক গ্রাহকদের জন্য স্টারলিংক প্রযুক্তির এ সুবিধা দুর্গম পাহাড়, উপকূল, সমুদ্র ও নেটওয়ার্কবিহীন এলাকায় যোগাযোগের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। এ সেবার প্রথম মাসে নির্দিষ্ট ইন্টারনেট ও মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গে বিনা মূল্যে স্যাটেলাইট সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। যেভাবে চালু করবেন সেবা এ সেবা ব্যবহারের জন্য আলাদা স্যাটেলাইট ফোন, ডিশ, অ্যান্টেনা কিংবা বিশেষ কোনো যন্ত্র কেনার প্রয়োজন নেই। তবে শুধু ফোরজি ফোন ও বাংলালিংক সিম থাকলেই সেবাটি ব্যবহার করা যাবে না। এ জন্য ফোনের সামঞ্জস্য, স্যাটেলাইট কাভারেজ এবং সংশ্লিষ্ট নম্বরে সেবাটির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। সেবাটি নিজের নম্বরে চালু আছে কি না, তা জানতে বাংলালিংকের মাইবিএল (MyBL) অ্যাপ ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রয়োজনে যোগাযোগ করা যাবে অপারেটরের গ্রাহকসেবায়। পাশাপাশি ফোনের সফটওয়্যার হালনাগাদ রাখা এবং ফোরজি সুবিধা সক্রিয় আছে কি না, তা পরীক্ষা করতে হবে। আলাদা অ্যাপ ইনস্টল করতে হবে? স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য আলাদা অ্যাপ ইনস্টল করে জটিল সেটআপ করার প্রয়োজন নেই। তবে ফোনটি এ প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে এবং অপারেটরের নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে। কখন স্যাটেলাইটের সঙ্গে যুক্ত হবে ফোন? প্রচলিত মোবাইল টাওয়ারের কাভারেজের বাইরে চলে গেলে উপযুক্ত ফোন স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে খোলা আকাশের নিচে থাকা সুবিধাজনক। ভবন, পাহাড় বা অন্য কোনো বড় বাধা সংযোগে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে নেটওয়ার্কের বাইরে গেলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্যাটেলাইট সংযোগ পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। ফোনের মডেল, ব্যবহারকারীর অবস্থান, স্যাটেলাইট কাভারেজ ও অপারেটরের নির্ধারিত শর্তের ওপর সেবাটি নির্ভর করবে। প্রথম মাসে ফ্রি, এরপর কী? বাংলালিংকের ঘোষিত অফার অনুযায়ী, সেবা চালুর প্রথম মাসে নির্দিষ্ট ইন্টারনেট বা মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গে অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই স্যাটেলাইট সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। দ্বিতীয় মাস থেকে নির্দিষ্ট মাসিক ইন্টারনেট ও মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গেও এ সুবিধা পাওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কে ব্যবহারের জন্য প্রতি মাসে পাঁচটি বিনা মূল্যের এসএমএস দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। তবে কোন কোন প্যাকে এ সুবিধা পাওয়া যাবে, অফারটি পেতে অতিরিক্ত শর্ত রয়েছে কি না এবং সুবিধা গণনার তারিখ কী এসব তথ্য বাংলালিংকের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা থেকে যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন। স্যাটেলাইট সংযোগে কী করা যাবে? প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে সীমিত যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করাই এ সেবার মূল উদ্দেশ্য। দুর্গম এলাকা, সমুদ্র, উপকূল কিংবা দুর্যোগের সময় প্রচলিত নেটওয়ার্ক অকার্যকর হয়ে পড়লে এ প্রযুক্তি কাজে আসতে পারে। স্যাটেলাইট সংযোগের মাধ্যমে মেসেজিং, অবস্থানভিত্তিক কিছু সুবিধা এবং নির্দিষ্ট অ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ থাকতে পারে। তবে সব অ্যাপ বা অনলাইন সেবা এতে কাজ করবে না। প্রচলিত ফোরজি বা ফাইভজি ইন্টারনেটের মতো উচ্চগতির সংযোগও আশা করা ঠিক হবে না। ডিশ বা অ্যান্টেনা বসানোর প্রয়োজন নেই প্রচলিত স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের সঙ্গে ডাইরেক্ট-টু-সেল প্রযুক্তির পার্থক্য রয়েছে। সাধারণ স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট স্থানে ডিশ বা অ্যান্টেনা বসাতে হয়। কিন্তু ডাইরেক্ট-টু-সেল প্রযুক্তিতে সামঞ্জস্যপূর্ণ মোবাইল ফোন সরাসরি স্যাটেলাইটের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। ফলে বাড়ি বা অফিসে আলাদা ডিশ বসানোর প্রয়োজন হয় না। তবে ফোনের সামঞ্জস্য এবং অপারেটরের সেবার আওতাভুক্ত হওয়া জরুরি। অন্য অপারেটরের গ্রাহকেরা কি পাবেন? বাংলাদেশে সেবাটি বাংলালিংক গ্রাহকদের জন্য চালুর কথা বলা হয়েছে। অন্য অপারেটরের গ্রাহকেরা একই সুবিধা পাবেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য ছাড়া সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না। অর্থাৎ, শুধু ফোরজি ফোন থাকলেই স্টারলিংকভিত্তিক এ সেবা ব্যবহার করা যাবে না। প্রয়োজন হবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ফোন, উপযুক্ত সিম এবং সংশ্লিষ্ট নম্বরে সেবাটির প্রাপ্যতা। সংযোগ না পেলে করণীয় ফোনে ফোরজি সুবিধা থাকা সত্ত্বেও স্যাটেলাইট সংযোগ না পেলে প্রথমে ফোনের সফটওয়্যার ও নেটওয়ার্ক সেটিংস পরীক্ষা করতে হবে। এরপর মাইবিএল অ্যাপে সেবাটি নম্বরে চালু আছে কি না, তা দেখতে হবে। এসব পরীক্ষা করার পরও সংযোগ না পেলে বাংলালিংকের গ্রাহকসেবায় যোগাযোগ করে ফোনের সামঞ্জস্য, নম্বরের যোগ্যতা, কাভারেজ এবং অফারের শর্ত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়াই ভালো। আরটিভি/এসকে
স্টারলিংকের প্রথম মাসের ফ্রি মোবাইল সেবা, চালু করবেন যেভাবে
হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচারে বিপাকে পড়তে পারেন পুরোনো ফোনের ব্যবহারকারীরা
নিরাপত্তা জোরদার করতে নতুন ফিচার নিয়ে কাজ করছে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। এ ফিচার চালু হলে পুরোনো অপারেটিং সিস্টেমে চলা স্মার্টফোনে অ্যাপটিতে লগইন করতে সমস্যায় পড়তে পারেন ব্যবহারকারীরা।
হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচারে বিপাকে পড়তে পারেন পুরোনো ফোনের ব্যবহারকারীরা
মোবাইল পকেটে রাখলে কি শুক্রাণুর ক্ষতি হয়, গবেষণা যা বলছে 
মোবাইল ফোন এখন দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যোগাযোগ থেকে শুরু করে কাজ ও বিনোদন সব ক্ষেত্রেই বেড়েছে এর ব্যবহার।
মোবাইল পকেটে রাখলে কি শুক্রাণুর ক্ষতি হয়, গবেষণা যা বলছে 
নিজের ছবি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে স্টিকার তৈরি করবেন যেভাবে
বন্ধুদের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে কথোপকথন আরও মজার করে তুলতে ব্যবহার করা যায় নিজের ছবি দিয়ে তৈরি স্টিকার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সহায়তায় সহজেই পছন্দের ছবি থেকে স্টিকার তৈরি করে তা হোয়াটসঅ্যাপে যুক্ত করা সম্ভব।
নিজের ছবি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে স্টিকার তৈরি করবেন যেভাবে
আরও পড়ুন
মহাকাশে নতুন যাত্রা, চার নভোচারীকে পাঠাচ্ছে নাসা
এবার মহাকাশে মিষ্টি কুমড়া রান্না করে খেলেন নভোচারীরা
মহাকাশে কোরআন তিলাওয়াতকারী প্রথম আফগান নভোচারীর মৃত্যু
২৭ বছর ধরে মহাকাশ স্টেশনে ফাটল, নভোচারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ