সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ , ০১:২৫ এএম
খুলনার করিমনগর এলাকায় স্ত্রীর সামনে মো. আলাউদ্দীন নামের এক যুবককে গুলি ও জবাই করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। পরিবারের দাবি, মাদক বিক্রিতে রাজী না হওয়ায় সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যা করেছে। পুলিশ বলছে, ১০ দিন আগে জেল থেকে বের হয়েছিলেন মো. আলাউদ্দীন৷ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় করিমনগর সৈয়দ আলী হোসেন স্কুলের পাশে এ ঘটনা ঘটে বলে সোনাডাঙ্গা মডেল থানার এসআই সুমন হাওলাদার জানান।
নিহত আলাউদ্দিন ওই এলাকার বাসিন্দা মনা মুন্সির ছেলে এবং করিমনগর এলাকার ইলোরা বেগমের বাড়ির ভাড়াটে।
পুলিশ জানায়, সন্ধ্যা ৭টার দিকে আলাউদ্দিন ও তার স্ত্রী ঘরের বারান্দার সিঁড়ির উপর বসে কথা বলছিলেন। এ সময় পাঁচ-ছয়জন ওই বাড়িতে প্রবেশ করে আলাউদ্দিনের সঙ্গে কথা বলতে থাকে। একপর্যায়ে তাকে লক্ষ্য করে কয়েকটি গুলি করে। দুটি গুলি তার বুকে ও পেটে বিদ্ধ হয়। এরপর দুর্বৃত্তরা ধারালো ছুরি দিয়ে তার গলায় আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলে আলাউদ্দিনের মৃত্যু হয়।
এসআই সুমন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে তিনটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। সিআইডিকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে এলে সুরতহাল করা হবে। আলাউদ্দিন দীর্ঘদিন মাদক মামলায় কারাগারে ছিলেন। ১০ দিন আগে কারাগার থেকে বের হন।
তার স্ত্রী নারগিস বেগম সাংবাদিকদের বলেন, তিনটি মোটরসাইকেলে ছয়জন এসে প্রথমে আলাউদ্দিনকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আলাউদ্দিন মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পর তার পা চেপে ধরে একজন জবাই করে এবং পরে চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রাখে।
নারগিসের দাবি, হামলাকারীদের মধ্যে একরাম, ইয়াসিনসহ আরও কয়েকজন ছিলেন। তাদের সঙ্গে পূর্বশত্রুতা রয়েছে।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ কবির হোসেন জানান, নিহত মো. আলাউদ্দীন ১০ দিন আগে জেল থেকে বের হয়। আমরা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করছি। সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি।
আরটিভি/একে