সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ০৮:০৭ পিএম
ভোলার তজুমদ্দিনে কীর্তন অনুষ্ঠান থেকে এক সন্তানের জননী এক নারীকে (২৫) তুলে নিয়ে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে শশীগঞ্জ দাসপাড়া গ্রামে সেহরির পর মুসল্লিরা মসজিদে যাওয়ার সময় স্থানীয় ফারুক নামে এক ব্যক্তি ওই নারীকে বিবস্ত্র ও রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ী স্বপন দাসের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এর আগে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার একটি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে ওই নারী গুরুতর আহত অবস্থায় ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জানা গেছে, রোববার বিকেলে উপজেলার একটি গ্রামে ওই নারী অনীল বাবাজীর তিরোধান উৎসবে (কীর্তন) যোগ দেন। রাত ৯টার দিকে পরিচিত অটোরিকশাচালক রাকিব, শাকিল ও রাসেল তাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে অটোরিকশায় তুলে নেন। এরপর তারা শশীগঞ্জ গ্রামের দাসপাড়া ধোপাবাড়ির মোড় এলাকায় নিয়ে ওই নারীর মুখ চেপে ধরে পাশের একটি সুপারি বাগানে নিয়ে জোরপূর্বক চেতনানাশক খাইয়ে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই নারী কথা বলার সময় কথা জড়িয়ে গেলেও গণমাধ্যমকে জানান, রাকিব, শাকিল ও রাসেল নামে তিন যুবক তাকে তুলে নিয়ে রাতভর ধর্ষণ ও নির্যাতন করেছে।
ভোলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. তৈয়বুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ওই নারীকে যখন হাসপাতালে আনা হয় তখন তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। আমাদের চিকিৎসা চলমান রয়েছে তবে ওই নারীর অবস্থা গুরুতর।
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযুক্তদের মধ্যে রাকিব নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে।
আরটিভি/এমএইচজে