সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬ , ০১:৩৪ পিএম
পবিত্র ঈদুল ফিতরের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি রয়েছে। আর এইসঙ্গে যুক্ত হয়েছে সরকারি অফিসের শেষ কর্মদিবস। যার ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গণপরিবহনের চাপ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল থেকে ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কে চন্দ্রা এলাকা জুড়ে এমনই চিত্র দেখা গেছে।

জানা গেছে, উত্তরবঙ্গের ১৭ টি জেলার মানুষ প্রতি বছর ঈদ আসলেই চন্দ্রা থেকে তাদের বাড়ি যেতে হয়। কালিয়াকৈর উপজেলায় প্রায় ৩ শতাধিক শিল্প কলকারখানা রয়েছে। আর এসব কারখানা একত্রে ছুটি ঘোষণার ফলে চন্দ্রা এলাকা জুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। আজ সরকারি অফিস আদালতের কর্ম দিবসের শেষ দিন হওয়ায় সকাল থেকে চন্দ্রা এলাকা জুড়ে যাত্রীর চাপ একটু কম থাকলেও গণপরিবহনের ব্যাপক চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।
মহাসড়াকে মালিকানা গাড়ি ও গণপরিবহনের রয়েছে দীর্ঘ লাইন। চন্দ্রা মহাসড়ক জুড়ে প্রায় শতাধিক কাউন্টার রয়েছে। এসব কাউন্টারের সামনে গাড়ির জটলা দেখা গেছে। এসব কাউন্টারের সামনে কিছুটা যাত্রীর চাপ দেখা যায়।
তবে ভাড়া বেশি নেওয়ার কোনো অভিযোগ এখনো পাওয়া যায়নি। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, দুপুরের মধ্যে ছোট ছোট অনেক শিল্পকারখানা ছুটি হবে। যার ফলে মহাসড়কে কিছুটা যাত্রীর চাপ বাড়তে পারে। এদিকে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে চন্দ্রা এলাকা জুড়ে ৬ শতাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করবেন বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ।
কোনাবাড়ি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম জানান, ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ছয় শতাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চন্দ্রা এলাকায় মোতায়েন থাকবে। ভাড়া বেশি নিচ্ছে এরকম অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।
আরটিভি/এমআই