রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬ , ০৪:৩৪ পিএম
রাজশাহী বিভাগের ৫ জেলায় হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। তুলনামূলক বেশি সংক্রমণপ্রবণ এলাকাগুলোতে চলবে টিকাদান।
রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল ৯টায় রাজশাহীর গোদাগারী উপজেলার মাটিকাটা কমিউনিটি ক্লিনিকে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে টিকাদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। এ সময় জেলায় ৪০ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, আজ থেকে শিশুদের জন্য তিন সপ্তাহব্যাপী বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হলো। এই কর্মসূচির আওতায় মোট ৫৬ হাজার ৬০০ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, প্রথম দিনে মোট ২৭টি কেন্দ্রে এই টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং আজ ৫ হাজার ৬০০ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
টিকাদান কেন্দ্রের সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে জেলা প্রশাসক বলেন, কেন্দ্রগুলোতে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে এবং অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে কার্যক্রমটি এগিয়ে যাচ্ছে। অভিভাবকরা নিজ উদ্যোগে তাদের শিশুদের কেন্দ্রে নিয়ে আসছেন। টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া দেখা যাচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত টিকা নিতে কারও কোনো অনীহা লক্ষ্য করা যায়নি। সব মিলিয়ে বেশ স্বতঃস্ফূর্তভাবেই এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. এস আই এম রাজিউল করিম জানান, ৫ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে এই টিকা দেওয়া হবে। প্রথম দিনে গোদাগাড়ী উপজেলায় ৫ হাজার ৬৫০ জন এবং পৌরসভায় ৬২৮ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। যেসব শিশু অন্তত ২৮ দিন আগে টিকা নিয়েছে, তাদেরও এই কর্মসূচির আওতায় পুনরায় টিকা দেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে জেলার প্রায় ৪০ হাজার শিশুর মধ্যে এই টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। আগামী তিন সপ্তাহ প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে এই কার্যক্রম চলবে।
আরটিভি/এমএম