সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬ , ০৭:৪৭ পিএম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-২ আসনে ভোট গ্রহণে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। এতে ৬৩ জন প্রিজাইডিং অফিসারসহ ৭১ জনকে বিবাদী করে ট্রাইবুনালে পিটিশন করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন বাগেরহাট-২ আসনের বিএনপি দলীয় পরাজিত প্রার্থী ও বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
বাগেরহাট প্রেসক্লবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে যারা ছিলেন তারা নির্বাচনের সময়ে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছেন। নির্বাচনী আচরণ বিধি লংঘন নিয়ে দফায় দফায় অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থায় নেয়নি। জেলা রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারসহ বেশিরভাগ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার পক্ষপাতমুলক নির্বাচন পরিচালনা করায় বাগেরহাট -২ আসনে বিএনপির ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে পরাজয় হয়েছে। বিগত নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী এ আসনে জামায়াত ইসলামী ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে। অথচ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটের ফলাফলে দেখা যায় ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে বিএনপিকে পরাজিত করেছে জামায়াত। এটা খুবই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
তিনি বলেন, পরাজয়ের কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখা যায় এখানে ভোট গ্রহণের নিয়মে চরম অনিয়ম হয়েছে। যার একাধিক তথ্য প্রমাণ সংগ্রহের জন্য ১৭ জনকে স্বাক্ষী করে নির্বাচনী ট্রইব্যুনালে ৬৩ জন প্রিজাইডিং অফিসারসহ ৭১ জনকে বিবাদী করে একটি পিটিশন করা হয়েছে। যার শুনানী আগামি ২১ মে অনুষ্ঠিত হবে। আর এ পিটিশনের কারণে এ আসনের বিজয়ী প্রার্থীর পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানীকর মন্তব্য প্রচার করছে। যা নিলর্জ্জকর।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী পবিত্র ঈদ উপলক্ষ্যে সকল সংসদ সদস্যর মাধ্যমে দরিদ্র মানুষকে ১০ লাখ টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছে। এটি আসনে কেউ পেয়েছে কি না তা প্রচার হয়নি। অন্য আসনে যথানিয়মে বিতরণ হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এখানে নানা সমালোচনা চলছে। যা আমাদের দলীয় ভাবমূর্তির বিষয় হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, সদস্য সচিব মোজাফ্ফর রহমান আলম, যুগ্ম আহবায়ক কামরুল ইসলাম গোরা, খাদেম নিয়ামুল নাসির আলাপ, অহিদুল ইসলাম পল্টু ও সাবেক যুবদল সভাপতি ফকির তারিকুল ইসলাম প্রমুখ।
আরটিভি/এমএম