ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মুক্তিপণ দিয়ে ফিরলেন ৬ জেলে, সন্ধান মেলেনি ৪ জনের

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৮ পিএম
সুন্দরবনের পুরনো ছবি

সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে বনদস্যুদের হাতে অপহৃত ১০ জেলের মধ্যে ছয়জন মুক্তিপণের টাকা দিয়ে জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে বাড়িতে ফিরেছেন। তবে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার জেলে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে আনারুল, ইমরান ও সুশান্ত এবং এর এক দিন আগে সাদ্দাম, ইউনুস আলী ও সাইফুল ইসলাম নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন।

এর আগে গত ৩০ মার্চ সুন্দরবনের চুনকুড়ি, মালঞ্চ এবং মামুন্দো নদী থেকে ‘ডন’ ও ‘আলিফ ওরফে আলিম’ বাহিনীর পরিচয়ে তাদের অপহরণ করা হয় বলে জানান ফিরে আসা জেলেরা।

ফিরে আসা জেলে ও তাদের স্বজনরা জানান, সাদ্দামের মুক্তিপণ বাবদ ৪০ হাজার টাকা, আনারুল, সুশান্ত ও ইমরানের কাছ থেকে মাথাপিছু ৩৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ নিয়েছে বনদস্যুরা। এ ছাড়া ইউনুস আলী ও সাইফুল ইসলামের জন্য মাথাপিছু ২৫ হাজার টাকা গুনতে হয়েছে। তবে এনামুল ও হযরতসহ চার জেলের এখনো কোনো খোঁজ মেলেনি।

তারা আরও জানান, বনদস্যু ডন বাহিনী ও আলিফ ওরফে আলিম বাহিনীর পরিচয়ে সশস্ত্র বনদস্যুরা সুন্দরবনে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।

ফিরে আসা জেলে সাদ্দাম হোসেন জানান, তিনি ৪০ হাজার টাকা পরিশোধ করে মুক্তি পেয়েছেন। তার সঙ্গে ইউনুস আলী ও সাইফুল গাইনও ফিরে এসেছেন।

আরও পড়ুন

ভুক্তভোগী জেলেরা আরও জানান, তারা সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা স্টেশন থেকে বৈধ পাস নিয়ে মাছ ও কাঁকড়া আহরণের উদ্দেশ্যে বনে প্রবেশ করেছিলেন। কিন্তু তাতেও রক্ষা হয়নি। দস্যুরা টার্গেট করে তাদের ধরে নিয়ে যায় এবং পরে পরিবারের কাছে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করে।

সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন অফিসার মো. ফজলুল হক বলেন, অপহরণ কিংবা ফিরে আসার বিষয়ে ভুক্তভোগী জেলেদের পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের এখনো কিছু জানানো হয়নি।

এ ব্যাপারে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, এ ধরনের ঘটনায় জেলেরা অনেক সময় নিজেদের মধ্যে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন। অপহৃতদের জীবনের ঝুঁকির কারণে তারা পুলিশকে তথ্য দিতে চান না। তবে বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছি।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
জেলের ছদ্মবেশে সুন্দরবনে হরিণ শিকারের পাঁয়তারা, আটক ৬
‎সুন্দরবন থেকে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার
সুন্দরবনের পাশের ১৮ রিসোর্ট বন্ধে চূড়ান্ত নোটিশ, কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি
সুন্দরবনে বাঘের পায়ের ছাপের স্মৃতি এখনও মনে পড়ে প্রধানমন্ত্রীর