রোববার, ১০ মে ২০২৬ , ১২:০৭ পিএম
ঢাকার ধামরাইয়ে মাদক ব্যবসা নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে ফিরোজ কবির (৪৭) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশের ভাষ্য, মাদকের ব্যবসার অর্থের ভাগাভাগি নিয়ে তর্কের জেরে ওই ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
শনিবার (৯ মে) রাত ৮টার দিকে উপজেলার গাংগুটিয়া ইউনিয়নের অর্জুন নালাই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের দাবি, ধামরাইয়ের গাংগুটিয়া ইউনিয়নের অর্জুন নালাই এলাকার জহিরুল ইসলাম (২৩) ছেলে শাহিন এ হত্যার ঘটনা ঘটায়।
নিহত ফিরোজ কবির ধামরাইয়ের অর্জুন নালাই এলাকার আলহাজ্জ্ব উদ্দিনের ছেলে। নিহতের বিরুদ্ধে মাদক, ডাকাতির চেষ্টাসহ প্রায় ডজনখানেক মামলা রয়েছে, তিনি সম্প্রতি কারাগার থেকে মুক্তি পান বলে জানায় ধামরাই থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, মাদক ব্যবসার অর্থের ভাগাভাগি নিয়ে তাদের মধ্যে পূর্ব বিরোধ ছিল। সম্প্রতি ফিরোজ কবির মাদক মামলায় কারাগার থেকে মুক্তি পান। শনিবার সন্ধ্যার দিকে ওই দুই ব্যক্তির সঙ্গে তার দেখা হলে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে তাকে ধারাল অস্ত্রের আঘাত করে ওই দুই ব্যক্তি। এর পরপরই তারা পালিয়ে যান। এ সময় আহত অবস্থায় ভুক্তভোগীকে প্রথমে কাওয়ালীপাড়ার একটি হাসপাতালে এবং পরে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে বলেন, শাহীনরা এলাকায় হেরোইন খায়, বিক্রি করে। লোকজনকে ছুরির মুখে জিনিসপত্র রেখে দেয়। আজকে জহিরুল তার পরিবারের সঙ্গে ঝগড়া করেছিল মাদকের টাকার জন্য। তার কাছে ছ্যান ছিল। আমার আব্বু সাটুরিয়া থেকে কেনাকাটা করে ফিরছিল। ওদের বাড়ি পার করার আগেই জহিরুল ছ্যান ও শাহীন চাপাতি নিয়ে এসে এলোপাতাড়ি কোপ দেয়। ওদের সাথে আগের কোনো ঝগড়া বা কথা-কাটাকাটি ছিল না। যারা মারছে তাদের সঠিক শাস্তি চাই।
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, মাদক ব্যবসা নিয়ে তাদের মধ্যে পূর্ব বিরোধ ছিল। বিগত ৪-৫ দিন আগেই ওই ব্যক্তি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে এলাকায় ফিরে আসে। আজ তাদের দেখা হলে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে তাকে ছুরিকাঘাত করে। আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ইতোমধ্যে আসামি ধরার জন্য পুলিশ অভিযান পরিচালনা করছে।
আরটিভি/এমএইচজে