images

দেশজুড়ে

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে কক্সবাজারে নিয়ে যাওয়া যুবক ধরা

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬ , ০৪:২৫ পিএম

রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি থেকে অপহরণ করা এক স্কুলছাত্রীকে কক্সবাজার থেকে উদ্ধার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১৫)। এ ঘটনায় অপহরণের মূলহোতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) র‍্যাব-১৫ কক্সবাজার কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। 

র‍্যাব জানিয়েছে, গত ৬ মে রাজধানীর ধানমন্ডির ১৩/এ রোড এলাকায় নিজ বাসার সামনে থেকে ম্যাপল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক সাদা রঙের একটি হাইয়েস মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় ভিকটিমের পরিবার ধানমন্ডি মডেল থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করে। ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এরপরই অপহৃত শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে মাঠে নামে র‍্যাবের গোয়েন্দা দল।

প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১৫ জানতে পারে, অপহরণকারীরা ভিকটিমকে নিয়ে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নে অবস্থান করছে।

এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কক্সবাজার লিংক রোড এলাকায় বাংলাদেশ বেতার অফিসের সামনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে র‍্যাবের একটি আভিযানিক দল। অভিযান চলাকালে রাত ৮টার দিকে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে অপহরণের মূলহোতা তাওহীদ মোহাম্মদ মোস্তাকিম (৩৩) ও তার সহযোগী মো. আবু সাঈদকে (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার তাওহীদ মোহাম্মদ মোস্তাকিম ঢাকার উত্তরার আটিপাড়া এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে। অপরদিকে আবু সাঈদ কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে।

র‍্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা অপহরণের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ভিকটিমকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল তাওহীদ। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সহযোগীদের সহায়তায় ওই শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে কক্সবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়।

আরও পড়ুন
1

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ভাড়া ফ্ল্যাটে মিলল যুবকের লাশ, ঘটনা কী

উদ্ধার হওয়া স্কুলছাত্রী ও গ্রেপ্তার দুই আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক জানান, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আরটিভি/এসএস