শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ , ০৫:০০ পিএম
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে পুশইনচেষ্টার শিকার ৩ পরিবারের শিশুসহ ১২ জন দুই দিন ধরে শূন্যরেখার একটি পাটখেতে অবস্থান করছেন। এদের মধ্যে ১০ মাস থেকে ৪ বছর বয়সী তিন শিশু এবং এক অন্তঃসত্ত্বা নারী আছে।
শুক্রবার (১২ জুন) ভোর ৫টা থেকে তারা দুই দেশের সীমান্তের শূন্য রেখায় অবস্থান করছেন।
শনিবার (১৩ জুন) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিএসএফ জানায় তাদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে পরে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
স্থানীয়রা জানান, সীমান্ত এলাকার লোকজন কৌশলে শনিবার সকালের দিকে তাদের কাছে খিচুড়ি পাঠিয়েছেন। সেটা নিয়ে তারা ভারতের দিকে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করলে বিএসএফ বাধা দেয়। এরপর তারা ১৪৮/৩ এস পিলার থেকে ভারতীয় ৫০ গজের মধ্যে পাটখেতের আইলে একটি শিমুলগাছের তলায় অবস্থান নেন।
এলাকার মানুষ কৌশলে রাতেও তাদের খাবারের ব্যবস্থা করেছিল বলে জানা গেছে।
বিজিবির প্রাগপুর কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আসাদুজ্জামান জানান, শুক্রবার ভোর পাঁচটায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে ১২ জনকে বাংলাদেশে
ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। বিজিবি ও স্থানীয় লোকজন তাতে বাধা দেয়। এরপর থেকে শূন্যরেখার ভারতীয় ৫০ গজের মধ্যে ওই ১২ জন পাটখেতে বসে আছে। সেখানেই তাদের রাত কেটেছে। শুক্রবার দুবার পতাকা বৈঠকের সময় নির্ধারণ করা হলেও তাতে সাড়া দেয়নি বিএসএফ। আজ সাড়ে ৯টায় শুরু হয়ে আধাঘন্টাব্যাপী পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিএসএফ দাবি করে ওই তিন পরিবারের বাড়ি চাপাইনবাবগঞ্জ, সাতক্ষিরা ও খুলনা অঞ্চলে। তবে এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ না থাকায় বিজিবি গ্রহণ করেনি। তখন বিএসএফ যাচাইবাছাই করে সিদ্ধান্ত জানাবে হবে বলে মিটিং শেষ করে।
বিজিবি সদস্যরা সীমান্তে সতর্ক রয়েছে। স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে তাদের সহায়তা করছে বলেও জানান বিজিবির এই কর্মকর্তা।
আরটিভি/এমএইচজে