images

দেশজুড়ে

উদ্ধার হওয়া ইয়াবা গায়েব, বহনকারীকে ছেড়ে দেওয়া হয় ওসির নির্দেশে

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ , ০২:০৩ পিএম

কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম নগরীতে আসার পথে পুলিশের এক সদস্যের কাছ থেকে এক লাখ ইয়াবা উদ্ধার করে নগরীর বাকলিয়া থানা-পুলিশ। তবে এ ঘটনায় মামলা না করে হাতিয়ে নেওয়া হয় উদ্ধার করা ইয়াবা বড়ি। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নির্দেশে ছেড়ে দেওয়া হয় বহনকারীকে। ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন ওসি।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের করা এক তদন্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এ প্রতিবেদন গত ২৯ এপ্রিল পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এ ঘটনার প্রায় ছয় মাস পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে মামলার সুপারিশ করা হয়। আত্মসাৎ হওয়া ইয়াবা বড়িও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি গ্রেপ্তার হননি ইয়াবা পাচারে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য।

আরও পড়ুন
14

ওমরাহ যাত্রীদের কোটি টাকা নিয়ে দুই পীরজাদা উধাও

ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনাটি ঘটে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর। যার কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার হয়, তার সঙ্গে আরেক ব্যক্তির কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এরপর অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. ওয়াহিদুল হক চৌধুরীকে প্রধান করে পুলিশের ওই তদন্ত কমিটি করা হয়।

ঘটনার সময় বাকলিয়া থানার ওসির দায়িত্বে ছিলেন আফতাব উদ্দিন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার ওসি। তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর আট পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হলেও ওসি আফতাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আল-আমিন সরকার, এসআই মো. আমির হোসেন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সাইফুল আলম, এএসআই জিয়াউর রহমান, এএসআই সাদ্দাম হোসেন, এএসআই এনামুল হক, কনস্টেবল রাশেদুল হাসান ও কনস্টেবল উম্মে হাবিবা স্বপ্না।

চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় বর্তমানে কর্মরত আছেন ওসি আফতাব। তিনি বলেন, এই ঘটনা সম্পন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট।

আরটিভি/এমএ