images

দেশজুড়ে

রাজবাড়ীতে পুলিশের ‘ঘুষ’ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, অতঃপর...

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬ , ০৯:২৭ পিএম

রাজবাড়ীর আদালত কার্যালয়ে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকের (এসআই) ‘ঘুষ’ গ্রহণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় তাকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তদন্ত কমিটির প্রধান ও রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামসুল হক।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার ১২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। 

ভিডিওতে দেখা যায়, শীতকালের কোনো এক সময় আদালত কার্যালয়ে নিজের কক্ষে বসে থাকা এসআই ইসরাফিল হাওলাদারের কাছে এক ব্যক্তি জ্যাকেটের পকেট থেকে টাকা বের করে দিচ্ছেন। টাকা নেওয়ার পর এসআই ওই ব্যক্তিকে হাত দিয়ে কিছু দেখিয়ে দিচ্ছেন। পাশে থাকা আরেক ব্যক্তি পুরো ঘটনাটি দেখছিলেন।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদের নির্দেশে এসআই ইসরাফিল হাওলাদারকে আদালত কার্যালয় থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। একই সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামসুল হককে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে এসআই ইসরাফিল হাওলাদার বলেন, আমার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ষড়যন্ত্র চলছিল। ভিডিওতে কোনো টাকা ছিল না, মামলাসংক্রান্ত বিষয়ে একটা স্লিপ দেওয়া হয় আমাকে।

তিনি বলেন, আইনজীবীদের একটি গ্রুপ আমার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে লেগে আছে। এ ছাড়া, আমাদের কোনো এক স্টাফও ষড়যন্ত্রে ছিল। আমাকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে।

তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামসুল হক বলেন, ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়াসহ পুলিশ সম্পর্কে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। ভিডিওটি নজরে আসায় ওই দিন মাননীয় পুলিশ সুপারের নির্দেশে অভিযুক্ত এসআই ইসরাফিল হাওলাদারকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। 

আরও পড়ুন
dfsvgr

মাদরাসা ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ, পলাতক দুই খালাতো ভাই

এ ছাড়া, তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে যাচাই–বাছাই শেষে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। আমরা ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নিচ্ছি। যথাসময়ে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরটিভি/এসএস