images

দেশজুড়ে

পরীক্ষায় নকল করতে না দেওয়ায় কেন্দ্রে হামলা, ১০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬ , ০৯:৩৪ পিএম

এইচএসসি পরীক্ষায় নকলের সুযোগ না পেয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রেই হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় অবশেষে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা মহাবিদ্যালয় কেন্দ্রে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় প্রায় ১০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে চরফ্যাশন থানায় মামলা দায়ের করেছেন কেন্দ্র সচিব ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন।

শনিবার (১১ জুলাই) রাতে মামলাটি দায়ের করা হয়। 

রোববার (১২ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেন চরফ্যাশন সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মেহেদী হাসান।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পরীক্ষায় চরফ্যাশন সরকারি কলেজের ৮৮৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এমসিকিউ পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ৩০৪ নম্বর কক্ষের কিছু পরীক্ষার্থী প্রশ্ন কমন না পড়ার অভিযোগ তুলে উত্তেজিত হয়ে পড়েন।

আরও পড়ুন
656

ব্যবহারিক পরীক্ষার নামে বাণিজ্যের অভিযোগ

অভিযোগ অনুযায়ী, এরপর তারা নকলের চেষ্টা করলে দায়িত্বরত শিক্ষকরা বাধা দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে কয়েকজন পরীক্ষার্থী শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং নকলের সুযোগ দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।

পরীক্ষা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুপুর ১টার দিকে একদল শিক্ষার্থী ও বহিরাগত ব্যক্তি কলেজের পকেট গেট ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তারা পরীক্ষার খাতা ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

হামলায় ইটপাটকেলের আঘাতে সাতজন শিক্ষক, গভর্নিং বডির সভাপতিসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে এবং দুই রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে হামলাকারীদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়।

চরফ্যাশন সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মেহেদী হাসান বলেন, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় কেন্দ্র সচিব বাদী হয়ে শতাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।

আরটিভি/এমএম