images

দেশজুড়ে

ভাইকে হত্যার পর তাবলিগ জামাতে আত্মগোপন, এরপর যা হলো

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ , ১০:৫৬ পিএম

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে মসজিদে নামাজরত ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেন হারুন সরদার (৫৫)। এরপর গ্রেপ্তার এড়াতে কৌশল অবলম্বন করেন তিনি। এক মাস ধরে সঙ্গী হন তাবলিগ জামাতের। পরে বিষয়টি জানতে পারে পুলিশ। জানতে পেরে সোমবার দুপুরে তাবলিগ জামায়াতটির সঙ্গে পুলিশও ছদ্মবেশে যুক্ত হয়।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাতে নোয়াখালীর একটি মসজিদ থেকে হারুন সরদারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাজীরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিদ্দিকুর রহমান। অভিযুক্ত হারুন উপজেলার মেহেন্দীগঞ্জের আন্ধারমানিক গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ২১ জুন দুপুরে হারুন সরদার তার সহযোগীদের নিয়ে মসজিদে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে সহোদর নজরুল সরদারকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেন। 

পরে মুসল্লিরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মীরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় নজরুলের মৃত্যু হয়।

ওই ঘটনায় নজরুল সরদারের স্ত্রী নাজমিন নাহার বাদী হয়ে হারুন সরদারসহ ৮ জনকে আসামি করে কাজীরহাট থানায় মামলা করেছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর হারুন সরদার আত্মগোপনে ছিলেন। 

আরও পড়ুন
r6

গ্যারেজে কিশোরের মৃত্যু, পালিয়েছেন মালিক

কাজীরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিদ্দিকুর রহমান জানান, ভাইকে হত্যার ঘটনায় হারুন সরদার গ্রেপ্তার হয়েছে। বুধবার বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তার করতে কৌশল অবলম্বন করতে হয়েছে।

আরটিভি/এসএস