শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ , ০২:০৩ এএম
ভোলার লালমোহনে হাঁস চুরির সময় মো. নাজিম উদ্দিন (২৭) নামের এক যুবককে হাতেনাতে ধরেছে স্থানীয়রা। এ সময় তাকে শাস্তি হিসেবে ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়িয়ে তওবা করে ছেড়ে দেন এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাত ৮টার দিকে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কিশোরগঞ্জ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নাজিম উদ্দিন লালমোহন পৌর এলাকার নয়ানী গ্রামের পাকার মাথা এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর কিশোরগঞ্জ গ্রামের জয়নাল আরিন্দা বাড়ির মো. এমরান হোসেন রাকিবের দুইটি রাজ হাঁস চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় দুই যুবক দেখতে পেয়ে তাকে ধাওয়া দেয়। এসময় তাকে ধরে পশ্চিম কিশোরগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এনে হাঁস চুরির শাস্তি হিসেবে ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়ানো হয়।
পরে জীবনে আর চুরি করবে না মর্মে তওবা করিয়ে তাকে অভিভাবকের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
এলাকাবাসীরা জানান, গত কয়েক দিন ধরে ওই এলাকার বিভিন্ন বাড়ি থেকে হাঁস-মুরগিসহ বিভিন্ন মালামাল চুরি হচ্ছিল। এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সোলারের ব্যাটারি চুরি করে নিয়ে গেছে চোর চক্র। চোরের উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে গেছে স্থানীয় বাসিন্দারা।
তাই এলাকায় অপরিচিত লোকের ওপর নজরদারি রাখছিলেন তারা। পরে সন্ধ্যায় হাস নিয়ে যাওয়ার সময় সন্দেহ হলে তারা তাকে ধাওয়া দিয়ে ধরে আনেন। নাজিম উদ্দিন রিকশা চালানোর বেশে এলাকায় চুরি করেন। সে একজন পেশাদার চোর। তার পরিবারের লোকজন খবর দিয়ে এনে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
এ তথ্য নিশ্চিত করে ওই এলাকার গ্রাম পুলিশ মো. আবু তাহের জানান, চোর ধরার পর থানায় খবর দিলেও পুলিশের কোনো সাড়া না পাওয়ায় তারা চোরকে ১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়ে এবং তওবা করিয়ে ছেড়ে দেয়।
লালামোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যার পর আসামি গ্রেপ্তার নিয়ে তারা ব্যস্ত ছিলেন। এ রকম কোনো খবর থানায় আসেনি।
আরটিভি/ এসকেডি