শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ , ১০:৪১ পিএম
মেয়েটি নিজেই সাতক্ষীরার-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে সেবা করতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন সাতক্ষীরা-২ আসনের এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৫ নম্বর শিবপুর ইউনিয়নের গোটাঘাটা মসজিদে এক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
৫ নম্বর শিবপুর ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ ও স্থানীয় আলেম-উলামাদের ব্যানারে এই এমপির সম্মানে গণসংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
এ সময় সাতক্ষীরার-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে তিনি বলেন, এমপি সাহেবের বড় স্ত্রীসহ সবাইকে ডেকে বসে আমরা দেখলাম, ওই মেয়েটির একটাই আবদার ছিল—আমি অন্য কোথাও বিয়ে করব না। আমি যত দিন বাঁচবো, এমপি সাহেবের সেবা করবো। মেয়েটির এই দৃঢ় ইচ্ছার মুখে তার মা-বাবা বাধ্য হয়ে নিজেদের বাড়িতেই বিয়ের ব্যবস্থা করেন
মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, কাজটি অসামাজিক হয়েছে, অনৈতিক ছিল না। তবে এ ঘটনায় যে সামাজিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সে কারণেই জামায়াতে ইসলামী তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে এবং তার সংসদ সদস্য পদও বাতিলের পথে। অনৈতিক বা অসামাজিক বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী কখনো আপস করে না।
এসময় এমপি গাজী নজরুল ইসলামের ঘটনাকে সাধারণ কোনো ভুল নয় উল্লেখ করে মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক মসজিদের ইমামের উদাহরণ টেনে বলেন, ‘তিনি যে অবস্থানে আছেন, সেই পর্যায়ের একজন মানুষের কাছ থেকে এমন ভুল প্রত্যাশিত নয়। অন্য কেউ করলে হয়তো আমরা এটিকে সাধারণ ভুল হিসেবে দেখতাম। কিন্তু মসজিদের একজন ইমাম ও একজন সাধারণ ব্যক্তি যদি একই ভুল করেন, তাহলে কি ভুলের গুরুত্ব এক থাকে? থাকে না।
তিনি আরও বলেন, ইমামের ক্ষেত্রে ভুলের গুরুত্ব অনেক বেশি। ঠিক তেমনি, আপনার মতো একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে এ ধরনের ভুল মেনে নেয়া যায় না। তাই তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তার সংসদ সদস্য পদও থাকবে না, সেটিও বাতিল হবে।
শিবপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওলানা শাহাদাত হোসাইন, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও উপজেলা শুরা সদস্য মাওলানা মোশাররফ হোসেন এবং সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শহীদ হাসানসহ স্থানীয় নেতারা।
আরটিভি/এসআর