বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ , ০২:১১ পিএম
বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত শিখনফল অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় পাবনার ৩৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
২০ থেকে ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে এসব নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশের জবাব দিতে প্রত্যেককে তিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।
পাবনার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) মো. আশরাফুল কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়া ৩৬৭টি বিদ্যালয়ের মধ্যে সাঁথিয়ার ৭৪টি, আটঘরিয়ার ৫৯টি, পাবনা সদরের ৫৪টি, বেড়ার ৫০টি, চাটমোহরের ৪৮টি, সুজানগরের ৪১টি, ঈশ্বরদীর ২৩টি, ভাঙ্গুড়ার ১১টি ও ফরিদপুর উপজেলার ৭টি বিদ্যালয় রয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, ‘ফাউন্ডেশনাল লিটারেসি অ্যান্ড নিউমারেসি’ (এফএলএন) কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষার কাঙ্ক্ষিত মান নিশ্চিত না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পারলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে নোটিশে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবির বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। এফএলএন কর্মসূচি সফল করতে একাধিক সমন্বয় সভা করা হয়েছে। শিক্ষকদের লিখিত ব্যাখ্যা পাওয়ার পর তা পর্যালোচনা করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা ভালোভাবে পড়তে না পারলে সামনে শিক্ষকরা আরও বড় শাস্তির আওতায় আসতে পারেন।
আরটিভি/এসএস