বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ , ০৫:৩০ পিএম
ঢাকার ধামরাইয়ে দুটি খাল খননের কাজ শেষ করে বরাদ্দের অব্যবহৃত প্রায় ১ কোটি ৫ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
স্থানীয়রা বলছেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের পর উদ্বৃত্ত অর্থ ফেরত দেওয়ার এমন ঘটনা বিরল।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ধামরাই সদর ইউনিয়নের ইকুরিয়া খাল ও কুল্লা ইউনিয়নের বাড়িগাঁও খাল- মোট ৪ দশমিক ১৬০ কিলোমিটার খননের জন্য ২ কোটি ৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কাজ শেষ হওয়ার পর ৯৩ লাখ ৫ হাজার ৬৩ টাকা এবং এর সঙ্গে ভ্যাট মিলিয়ে মোট প্রায় ১ কোটি ৫ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়।
ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন বলেন, খাল খননের জন্য যে বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছিল, কাজ শেষ হওয়ার পর উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
গত ১৬ জুলাই ধামরাইয়ে এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের মধ্যে এই ধামরাইতে দুইটা খাল খন করার কথা ছিল ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা দিয়ে। আপনাদের এমন এমপি পেয়েছেন ২ কোটি ৮০ লাখ টাকার খাল খনন করার পর এক কোটি টাকা সরকারের কাছে ফেরত দিয়েছেন। সবাই মিলে আমরা আপনাকে অভিনন্দন জানাই। এরকম সৎ লোককে আপনারা নির্বাচিত করেছেন।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, খাল দুটি খননের মাধ্যমে কৃষিজমিতে সেচব্যবস্থা উন্নত হবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং বর্ষার পানি নিষ্কাশন সহজ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রেও প্রকল্পটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ঢাকা-২০ ধামরাই আসনের সংসদ সদস্য মো. তমিজ উদ্দিন বলেন, কৃষি ও কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রথম খাল খনন কর্মসূচির চালু করেন। এর সুফলও কৃষকরা পেয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষকদের কথা চিন্তা করে খাল খনন ও পূনঃখনন কর্মসূচি শুরু করেছেন। এর সুফলও সারাদেশের ন্যায় ধামরাইয়ের কৃষকরা পাবেন।
আরটিভি/এমএইচজে