শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ , ০৬:৩১ পিএম
ভোলার চরফ্যাশনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুর্তজা আলী নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদককে জড়িয়ে করা 'বিভ্রান্তকর' পোস্টের বিষয়ে নিন্দা জানিয়েছেন সাংবাদিকরা।
ওই পোস্টে মুর্তজা আলী নামে জনৈক ব্যক্তি দাবি করেন বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়াকে যে মামলায় জামিন নামঞ্জুর করা হয়েছে তা তার ইন্ধনে হয়েছে।
তার জামিন নামঞ্জুরকে কেন্দ্র করে চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক কামাল গোলদারকে জড়িয়ে সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন। ওই পোস্টটি চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের নজরে এলে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে সাংবাদিকদের মধ্যে।
চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক কামাল গোলদার বলেন, আমার বিরুদ্ধে মুর্তজা আলী ফেসবুকে নৈতিকতার ভাষণ দিলেও, তার বিরুদ্ধে অতীতে চরফ্যাশন উপজেলায় চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, লুটপাট, চাঁদা আদায় এবং বিভিন্ন অনিয়মের একাধিক অভিযোগের আলোকে বিভিন্ন সময়ে তা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় এবং স্থানীয় ভাবে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। আমার জানামতে এর মধ্যে এতিমখানা মোড় এলাকায় অবস্থিত আবুর দুটি ফ্যাক্টরি দখল, বিপুল পরিমাণ মালামাল লুটপাট, ব্যাংক চেকের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ আদায় অভিযোগও জনসমক্ষে এসেছে। এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিষয়। তবে এমন অভিযোগের মুখোমুখি থাকা অবস্থায় অন্যের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালানো অত্যন্ত দুঃখজনক।
তিনি আরও বলেন, আমাদের মানবিক, নীতিবান ও আদর্শবান নেতা মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর চাঁদাবাজ মুর্তজা আলী উপলব্ধি করেন যে, চরফ্যাশনে আগের মতো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। এরপর তিনি ইতালিতে চলে যান। বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করে আমার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করে চলেছেন, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, গ্রহণযোগ্য প্রমাণ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কারও বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে সম্মানহানির চেষ্টা একটি দায়িত্বজ্ঞানহীন ও নিন্দনীয় কাজ। তাই আপনাকে এ ধরনের মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর প্রচার থেকে অবিলম্বে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
আরটিভি/এমএইচজে