বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ , ০৯:১৩ এএম
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবেন। প্রস্তাবিত বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।
বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যসহ ৬০টি পণ্যে করছাড়ের কথা ভাবছে সরকার। এসব পণ্যের দাম কমতে পারে। তবে কিছু পণ্যে বসবে বাড়তি ভ্যাট। ফলে এসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে।
নতুন অর্থবছরে যারা বাড়ি তৈরির কথা ভাবছেন, তাদের জন্য কিছুটা দুঃসংবাদ থাকছে। আবাসন খাতের অন্যতম প্রধান উপাদান এমএস রড এবং এ জাতীয় পণ্যের উৎপাদন পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট কর ও ভ্যাট প্রায় ১০ শতাংশ বাড়তে পারে। যাতে রডের দাম বাড়বে।
ধূমপায়ীরাও হিসাবের বাইরে নন। সিগারেটের ফিল্টার তৈরির কাঁচামালের ওপর ৩০০ শতাংশ এবং নিকোটিনের ওপর ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। নিকোটিন পাউচের ওপর বসছে ৪০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক। উচ্চ স্তরের ১০ শলাকার সিগারেটের প্যাকেটের দাম ১৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০ টাকা করা হতে পারে। সিগারেটের প্যাকেটে কিউআর কোড রাখা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।
দেশে উৎপাদিত অ্যালকোহল বা মদের ওপর লিটারপ্রতি ৫০০ টাকা সুনির্দিষ্ট ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব আসতে পারে, যা বাড়িয়ে দেবে মদের দাম।
উচ্চমূল্যের বিলাসী খাবার এবং নতুন করে ১০টি পণ্যের আমদানি পর্যায়ে ২০ শতাংশ ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হতে পারে।
বিদেশ থেকে আমদানি করা উচ্চ মূল্যের হিমায়িত মাছে নতুন করে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হতে পারে।
দেশীয় চাষীদের সুরক্ষায় কাজুবাদাম আমদানিতে শুল্কহার ৫ শতাংশ থেকে একলাফে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হতে পারে।
আরটিভি/এমএম