রোববার, ১৭ মে ২০২৬ , ১১:৫৫ এএম
আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ে উপবৃত্তি প্রদান কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের আওতায় এই সুবিধা দেওয়া হবে।
রোববার (১৭ মে) থেকে অনলাইনে এই উপবৃত্তির আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ১৪ জুন পর্যন্ত। উপবৃত্তি সংক্রান্ত নির্দেশনা জানিয়ে ইতিমধ্যে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
গত ১৪ মে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) স্মৃতি কর্মকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটেও এই সংক্রান্ত একটি চিঠি প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা এই উপবৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইস্যু করা চিঠিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা ২০২৬ সালে (২০২৫-২৬ অর্থবছর) এই উপবৃত্তি, টিউশন ফি ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন।
আগ্রহী শিক্ষার্থীরা ১৭ মে সকাল ৯টা থেকে ১৪ জুন রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ফরম পূরণ করতে পারবেন। পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনভিত্তিক হওয়ায় আবেদনের কোনো হার্ড কপি বা কাগজের নথি জমা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
শিক্ষার্থীদের আবেদনের পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানেরা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও বাছাই কমিটির রেজুলেশন সফটওয়্যারে আপলোড করে আবেদন ফরওয়ার্ড করতে পারবেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সময়সীমা ১৫ জুন সকাল ৯টা থেকে ২১ জুন রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
উপবৃত্তি সংক্রান্ত যেকোনো বিস্তারিত তথ্য প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (pmeat.gov.bd) এবং ই-স্টাইপেন্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের নোটিশ বোর্ডে পাওয়া যাবে।
উপবৃত্তি প্রাপ্তির শর্তাবলি:
১. উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য ডিগ্রি (পাস) বা ফাজিল অথবা স্নাতক পর্যায়ে অধ্যয়নরত নিয়মিত শিক্ষার্থী হতে হবে।
২. নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে শ্রেণিকক্ষে কমপক্ষে ৭৫% উপস্থিত থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে আবশ্যিক বিষয় হিসেবে (বাংলা/ইংরেজি) গণনা করা যেতে পারে।
৩. উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীর অভিভাবকের মোট বার্ষিক আয় এক লাখ টাকার কম হতে হবে। অভিভাবক বা পিতা-মাতা যদি সিটি করপোরেশন এলাকার বাসিন্দা হন, তাহলে মোট জমির পরিমাণ ০.০৫ শতাংশের কম হতে হবে। অন্যান্য এলাকায় ক্ষেত্রে ০.৭৫ (দশমিক পঁচাত্তর) শতাংশের কম হতে হবে।
আরটিভি/এআর