শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ , ০৩:০৪ পিএম
নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে আওয়ামী লীগের যে রাজনৈতিক অপসংস্কৃতি ছিল, ছাত্রশক্তি তো দূরের কথা, ক্ষমতাসীন দল বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠন ছাত্রদলও এ কালচারে ফিরে যেতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত ১১টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পরিবহণ চত্বরে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
সারজিস বলেন, এটা যেদিন ঘটবে, সেদিন আরেকবার ১৬ই জুলাই নেমে আসবে, যেদিন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কবর রচনা হয়েছিল। অতীতের পরিণতি সবাই দেখেছে বলেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সুযোগ কম।
তিনি বলেন, দেশে ফ্যাক্ট-চেকের চর্চা বাড়লে রাজনৈতিক দলগুলোকেও জবাবদিহির মধ্যে রাখা সহজ হবে এবং দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
এ সময় শিক্ষার্থীদের আবাসিক সুবিধার দাবি আদায়ের বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন সারজিস আলম। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি ছাত্রশক্তির একজন প্রতিনিধিও থাকে, শিক্ষার্থীরা তার কাছে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর একটা আবেদনপত্র প্রদান করেন। প্রয়োজনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে যাব। শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সর্বোচ্চ সহায়তা করব।’
একই সভায় এনসিপির যুগ্ম-আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহা যে ভূমিকা রেখেছিলেন, তার সাথে ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের মিল আছে। কিন্তু চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের সময় প্রক্টররা শিক্ষার্থীদের পুলিশের হাতে তুলে দেন। বর্তমান সংসদের ক্ষমতাসীন দলের অধিকাংশ সাংসদ প্রায় ৫৯ শতাংশ পরিবারতন্ত্রের। এটাও এক ধরনের কোটা।’
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিজয়ী প্রার্থী এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, জাতীয় নাগরিক কমিটির রাজশাহী জেলার আহ্বায়ক ও মেয়র প্রার্থী মোবাশ্বের রাজ এবং জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জাহিদ আহসানসহ এনসিপি ও ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় ও রাজশাহীর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
আরটিভি/এসএস