বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ , ০৭:১০ পিএম
সদ্য হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন নচিকেতা চক্রবর্তী। হৃদযন্ত্রে দু’টি স্টেন্ট বসানোর পর তিনি আপাতত সুস্থ। তবু সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তার সাম্প্রতিক ভিডিয়োবার্তা ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ‘জীবনমুখী’ গায়কের কণ্ঠে সেখানে শোনা যায় মৃত্যুর প্রসঙ্গ-যা অনুরাগীদের একাংশকে ভাবিয়ে তুলেছে।
ভিডিও বার্তার শুরুতে নচিকেতা বলেন, মৃত্যুর মুখ থেকে বারংবার ফিরে মন্দ লাগছে না। শেষাংশে শোনা যায় অন্য সুর, এ বার আপনারা মৃত্যুঘোষণা করলেই কথা দিচ্ছি, মরে যাওয়ার চেষ্টা করব। প্রকাশ্যে এই ধরনের বক্তব্য এই প্রথম বলেই মনে করছেন অনেকে। খবর আনন্দবাজারের।
তবে ভয় পাওয়ার কথা উড়িয়ে দিয়েছেন শিল্পী নিজেই। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নচিকেতা বলেন, কোনও সমস্যা নেই। এই বেশ ভাল আছি। সব ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহেই মঞ্চানুষ্ঠানে ফেরার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন তিনি।
ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা যাচ্ছে, স্টেন্ট বসানোর খবর প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে একদল নেটাগরিকের কটূক্তি ও মৃত্যুকামনা তাকে আঘাত করেছে। যদিও গায়ক প্রকাশ্যে সে কথা স্বীকার করেননি। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, দিনের শেষে একজন খ্যাতনামীও রক্তমাংসের মানুষ। তারও তো অভিমান হয়।
নচিকেতা অবশ্য সব কিছু হাসিতে উড়িয়ে দিতে অভ্যস্ত। তার কথায়, সাত বছর বয়স থেকে নানা সময়ে নানা ঘটনায় তিনি মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন এবং প্রতিবারই ফিরে এসেছেন। এ বারও চিকিৎসাশাস্ত্রের সৌজন্যে হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক হয়েছে।
নিজের সাম্প্রতিক লেখায় নচিকেতা স্পষ্ট করে জানান, ভাল লাগলে ভালটা নিজের কাছে রাখবেন। ভাল না লাগলে ভুলে যান, কমেন্ট করবেন না। কারণ, আমি আপনার কমেন্টের আশায় এটা লিখছি না। তার সংযোজন, সমাজমাধ্যমে তাকে যতবার ‘মারা’ হয়েছে, বাস্তবে তার চেয়েও বেশি।
উল্লেখ্য, গত ৬ ডিসেম্বর নিয়মিত পরামর্শের জন্য চিকিৎসকের কাছে গেলে ধরা পড়ে হার্টে ব্লকেজ ও অনিয়মিত হৃদস্পন্দন। পরিবারের অনুমতিতে দ্রুত স্টেন্ট বসানো হয়। ছ’দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর বাড়ি ফেরেন নচিকেতা। চিকিৎসকদের মতে, পরিমিত আহার ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম ছাড়া আপাতত বিশেষ কোনও বিধিনিষেধ নেই তার ক্ষেত্রে।
আরটিভি/কেআই