images

আন্তর্জাতিক / এশিয়া / পাকিস্তান

এবার পাকিস্তানের জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কিনতে চায় ইন্দোনেশিয়া

মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ , ১২:৩৪ পিএম

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সামরিক শক্তি বাড়াতে পাকিস্তানের কাছ থেকে ৪০টিরও বেশি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ইন্দোনেশিয়া। পাকিস্তান ও চীনের যৌথ প্রযুক্তিতে তৈরি এই যুদ্ধবিমানটি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্যাফ্রি শামসোউদ্দিন এবং পাকিস্তানের বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জহির আহমেদ বাবর সিধুর মধ্যে সাম্প্রতিক বৈঠকে এই প্রতিরক্ষা চুক্তির রূপরেখা নির্ধারিত হয়। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী এই চুক্তিতে যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি পাকিস্তানের তৈরি অত্যাধুনিক শাহপর ড্রোন কেনার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নজরদারি ও সরাসরি হামলায় সক্ষম এই ড্রোনগুলো ইন্দোনেশিয়ার আকাশসীমা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দুই দেশের সামরিক ও কৌশলগত সংলাপের মাধ্যমে এই দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পথ প্রশস্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন
19

পাকিস্তানের ‘জেএফ-১৭ থান্ডার’ কিনতে চায় আরও এক দেশ

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সাথেও বৈঠক করেছেন ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সেখানে আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং দ্বিপক্ষীয় সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আজারবাইজান ও লিবিয়ার সাথে সফল চুক্তির পর আন্তর্জাতিক বাজারে পাকিস্তানের জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। নিজেদের বিমানবাহিনী আধুনিকীকরণের লক্ষ্যেই ইন্দোনেশিয়া এই বিশাল বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে।

একই সময়ে বাংলাদেশের সাথেও প্রতিরক্ষা খাতে সমান্তরাল আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। ঢাকার সাথেও জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান এবং সুপার মুশশাক প্রশিক্ষণ বিমান বিক্রির বিষয়ে আলোচনা চলছে। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক যোগাযোগ ও সরাসরি বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এশীয় দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা শিল্পের এই ক্রমবর্ধমান প্রসার এই অঞ্চলের সামরিক ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। উন্নত প্রযুক্তি এবং দ্রুত সরবরাহের নিশ্চয়তা থাকায় অনেক দেশই এখন পশ্চিমা বিমানের বিকল্প হিসেবে জেএফ-১৭ থান্ডারকে বেছে নিচ্ছে।

আরটিভি/এআর