সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ , ০৪:৫৭ পিএম
প্রতিবন্ধী কোটায় মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেতে নিজেই নিজের পা কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের সুরজ ভাস্কার (২০) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
ভারতের উত্তর প্রদেশের জৌনপুর জেলার খালিলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গত ২১ জানুয়ারি বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, এর আগে দুইবার সর্বভারতীয় মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা ‘ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট’ (নিট)-এ উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হন সুরজ। সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে না পেরে মানসিক চাপে পড়ে তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সুরজ দাবি করেছিলেন তিনি এক সহিংস হামলায় পা হারিয়েছেন। তবে তদন্তে সেই দাবি অসত্য প্রমাণিত হয়। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে কোন কোন ফৌজদারি ধারায় মামলা করা হবে- সে বিষয়ে আইনি মতামত নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে ১৮ জানুয়ারি সুরজের বড় ভাই আকাশ ভাস্কার পুলিশকে জানান, আগের রাতে অজ্ঞাত হামলাকারীরা তার ভাইয়ের ওপর হামলা চালায়। হামলার পর সুরজ অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন এবং তার একটি পা কাটা ছিল। এরপরই পুলিশ মামলা করে তদন্ত শুরু করে।
পরে মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় সিটি সার্কেল কর্মকর্তা গোল্ডি গুপ্তকে। তদন্ত চলাকালীন পুলিশ সুরজের বক্তব্যে একাধিক অসংগতি খুঁজে পায়। তার মোবাইল ফোন পরীক্ষা এবং তদন্তে উঠে আসা একটি ফোন নম্বরের সূত্র ধরে এক নারীর জিজ্ঞাসাবাদ সন্দেহ আরও জোরালো করে।
এছাড়া সুরজের একটি ডায়েরিও উদ্ধার করে পুলিশ, যেখানে লেখা ছিল, আমি ২০২৬ সালে এমবিবিএস ডাক্তার হবো।
লাইন বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সতীশ সিং জানিয়েছেন, সুরজ বর্তমানে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সূত্র: ডেকেন হেরাল্ড
আরটিভি/এমএইচজে/