শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬ , ০২:২১ পিএম
এক কুয়েতি নারীর প্রেমে পড়ে ফেঁসে গেছেন দেশটিতে বসবাসরত এক ভারতীয় যুবক। ওই নারীকে বিয়ের জন্য দোকান থেকে তিনি সরিয়েছেন প্রায় ৩২ কোটি টাকার গহনা। সেই গহনা আবার তিনি সস্তায় বিক্রি করেছেন এক পাকিস্তানি নাগরিকের কাছে।
আলোচিত এই ঘটনায় ভারতীয় ওই যুবককে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন কুয়েতের আপিল আদালত। একই মামলায় ওই কুয়েতি নারীকেও দেওয়া হয়েছে ৫ বছরের কারাদণ্ড। পাশাপাশি চুরি হওয়া গয়নার সমপরিমাণ ৮ লাখ ৯ হাজার কুয়েতি দিনার (প্রায় ৩১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা) জরিমানা করা হয়েছে তাদেরকে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) আরব টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলায় অভিযুক্ত কুয়েতি নারীর মেয়েকে আপিল আদালত খালাস দিয়েছেন। এর আগে নিম্ন আদালত তাকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। তবে পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকায় আপিল আদালত সেই রায় বাতিল করেন।
আদালতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ওই ভারতীয় সেলসম্যান প্রায় দুই বছর ধরে কর্মস্থল থেকে ৮ লাখ কুয়েতি দিনারের বেশি মূল্যের সোনার গয়না চুরি করেন। এ কাজে তাকে সহায়তা করেন ওই কুয়েতি নারী ও তার মেয়ে।
চুরি করা গয়নাগুলো বাজারদরের চেয়ে কম মূল্যে এক পাকিস্তানি নাগরিকের কাছে বিক্রি করা হতো বলে জানা গেছে। বর্তমানে ওই ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন। তার অনুপস্থিতিতেই আদালত তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।
জিজ্ঞাসাবাদে ভারতীয় সেলসম্যান স্বীকার করেন, কুয়েতি নারী তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রলোভনেই তিনি চুরির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন বলে জানান তিনি। চুরির মাধ্যমে পাওয়া অর্থ তিনি ওই নারী ও তার মেয়ের কাছে হস্তান্তর করতেন বলেও স্বীকার করেন।
আরটিভি/এসকে