মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬ , ১১:০৯ এএম
সৌদি আরবের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় পাকিস্তান প্রায় ৮ হাজার সেনা, ১টি যুদ্ধবিমান দল এবং ১টি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে। আঞ্চলিক সংঘাত ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যেই এই পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সোমবার (১৮ মে) বার্তা সংস্থা রয়র্টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোনো একটি দেশ আক্রান্ত হলে একে ওপরকে সরাসরি প্রতিরক্ষায় সহায়তা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে দুই দেশের মধ্যে। নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানা যায়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ সক্ষম বাহিনী, যা সৌদি আরবের নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মোতায়েন করা বাহিনীর মধ্যে প্রায় ১৬টি যুদ্ধবিমান রয়েছে, যার বেশিরভাগই যৌথভাবে তৈরি আধুনিক যুদ্ধবিমান। এর পাশাপাশি দুইটি মানববিহীন আকাশযান দলও পাঠানো হয়েছে। প্রায় ৮ হাজার সেনা ইতোমধ্যে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে এবং প্রয়োজনে আরও সেনা পাঠানোর প্রস্তুতির কথাও জানানো হয়েছে।
এছাড়া চীনা প্রযুক্তির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সৌদি আরবে স্থাপন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পুরো সামরিক ব্যবস্থার পরিচালনা করছে পাকিস্তানি সেনারা, আর এর ব্যয় বহন করছে সৌদি আরব।
নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এই চুক্তির আওতায় নৌবাহিনীর সহায়তার বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যদিও এখনো কোনো যুদ্ধজাহাজ সেখানে পৌঁছেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
গত বছর স্বাক্ষরিত এই প্রতিরক্ষা চুক্তির বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। তবে দুই দেশই জানিয়েছে, একে ওপরের ওপর আক্রমণ হলে যৌথভাবে প্রতিরক্ষায় অংশ নেবে তারা। এতে করে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
আরটিভি/জেএমএ