images

আন্তর্জাতিক / যুক্তরাষ্ট্র

নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করতে পারবেন কিনা জানালেন মামদানি

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ , ১২:৫৬ পিএম

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে নিউইয়র্কে এলে গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা নেই বলে স্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। তবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আহ্বান জানিয়েছেন। সিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা এক ভিডিও বার্তায় মামদানি বলেন, তার প্রশাসন আইনগত সব দিক পর্যালোচনা করেছে। কিন্তু নিউইয়র্ক সিটির পক্ষে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার স্বাধীন আইনি ক্ষমতা নেই।

তিনি বলেন, আমরা আইনগত সব পথ পর্যালোচনা করেছি। কিন্তু নিউইয়র্ক সিটির পক্ষে এই পরোয়ানা কার্যকর করা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন
rahul-priyanka

ছাড়া পেলেই যে বার্তা দিলেন রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

Capture

তবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, তারা যেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করে। একই সঙ্গে তিনি নেতানিয়াহুকে যুদ্ধাপরাধী এবং ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ভয়াবহ গণহত্যার পরিকল্পনাকারী বলে মন্তব্য করেন।

গত বছরের মেয়র নির্বাচনের প্রচারণায় মামদানি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করবেন। সাম্প্রতিক সময়েও তিনি বলেছিলেন, জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিতে নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে স্থানীয় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মামদানির এই বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন জাতিসংঘে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, জোহরান মামদানি, এবার থামুন। আপনাকে নিউইয়র্কবাসীর সেবা করার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে, কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রচারণা চালানোর জন্য নয়।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে কোনোভাবেই নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করা হবে না।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদস্য নয় এবং আদালতের এখতিয়ারও স্বীকৃতি দেয় না।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধ চলাকালে সংঘটিত কথিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। একই সময়ে হামাসের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধেও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়।

তবে ইসরায়েল শুরু থেকেই এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে। দেশটির দাবি, গাজায় সামরিক অভিযান পরিচালনার সময় বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থান নেওয়ার জন্য হামাসই দায়ী। 


আরটিভি/জেএমএ