ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

ছাড়া পেয়েই যে বার্তা দিলেন রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম
ভারতের লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। পুরোনো ছবি

নিট বা এনইইটি-ইউজি ২০২৬ প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে জবাবদিহি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে আটক হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর মুক্তি পেয়েছেন ভারতের লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।

ভারতের সংবাদমাধ্যম ন্যাশনাল হেরাল্ড ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের দিকে পদযাত্রার সময় রাহুল গান্ধীকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। পরে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কংগ্রেসের সংসদ সদস্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং বিরোধী জোটের আরও কয়েকজন নেতা বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন। আটক হওয়া অন্য নেতাদের মধ্যে ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব।

রাজাজি মার্গের কাছে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর বিক্ষোভকারীরা লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। পরে নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় এবং কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীকে আটক করে।

আরও পড়ুন

টেলিভিশনের সম্প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ সদস্যরা রাহুল গান্ধীকে বলপ্রয়োগ করে বিক্ষোভস্থল থেকে তুলে পুলিশ গাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন। একইসঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিতে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের দৃশ্যও দেখা যায়।

রাহুল গান্ধীর পর মান্দির মার্গ থানায় নিয়ে যাওয়া প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকেও মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির পর তারা শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং প্রশ্নফাঁস রোধে নতুন আইন প্রণয়নের আহ্বান জানান।
প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে সরকারের একটি বিল আনা উচিত।

পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের একদিন পর এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। নিট প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনে বিরোধী দল ও কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

কংগ্রেসের অভিযোগ, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। তাই শিক্ষামন্ত্রীর জবাবদিহি ও শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন জোরদার করা হয়েছে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিমানে শৌচাগারের আয়নায় লেখা ছিল ‘ভেতরে বোমা আছে’, অতঃপর...
থাইল্যান্ডের ফুকেট থেকে ভারতের কলকাতায় আসা একটি বিমানের শৌচাগারের আয়নায় ‘বিমানের ভেতরে বোমা আছে’ লেখা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন কেবিন ক্রুরা। শনিবার (২৪ অক্টোবর) কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণের পর এই ঘটনা ঘটে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দীর্ঘ তল্লাশির পরও বিমানে সন্দেহজনক কিছুই পাওয়া যায়নি। বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, লেখাটি নজরে আসার পরই কেবিন ক্রুরা তাৎক্ষণিকভাবে পাইলট এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানান। এরপর দ্রুত বিমানটিকে আইসোলেশন বে-তে নিয়ে যাওয়া হয় এবং যাত্রীদের নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়।  পরে সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (সিআইএসএফ), বম্ব স্কোয়াড ও বিমানবন্দর পুলিশের যৌথ দল বিমানে তল্লাশি চালায়। তবে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পরও ভেতর থেকে কোনো বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক বস্তু উদ্ধার হয়নি। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, কেবল আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই কেউ এই ভুয়া হুমকি দিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে ইতিমধ্যে বিমানের যাত্রী তালিকা ও সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে শুক্রবারও কলকাতা বিমানবন্দরের ২৩ নম্বর গেটের কাছে নারীদের শৌচাগারে বোমা রাখার হুমকির একটি চিরকুট পাওয়া গিয়েছিল। পরপর দুই দিন এমন বোমাতঙ্কের ঘটনায় ওই বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আরটিভি/এসআর
বিমানে শৌচাগারের আয়নায় লেখা ছিল ‘ভেতরে বোমা আছে’, অতঃপর...
বন্ধুত্ব থেকে চরম শত্রুতা, প্রকাশ্য দিবালোকে রড দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যা
ভারতের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে সম্পর্ক নষ্ট হওয়ায় বন্ধুকে প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যস্ত সড়কে  গাড়িচাপা দেওয়ার পর লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মাথা থেঁতলে নির্মমভাবে হত্যা করেছেন এক তরুণ।
বন্ধুত্ব থেকে চরম শত্রুতা, প্রকাশ্য দিবালোকে রড দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যা
আখ কাটার কাজ চালিয়ে যেতে জরায়ু কেটে ফেলছেন ভারতের নারী শ্রমিকরা
ভারতের মহারাষ্ট্রের বীড় জেলার বহু নারী আখ কাটার কাজ চালিয়ে যেতে গিয়ে নিজেদের প্রজননস্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মুখে ফেলছেন। মাসিকের ব্যথা, বিশ্রামের অভাব ও কঠোর শ্রমের কারণে কেউ কেউ জরায়ু অপসারণের কথা ভাবছেন, আবার অনেকে অস্ত্রোপচারও করিয়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব শ্রমিকের দুর্বিষহ জীবনের চিত্র। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে আনুমানিক ১৫ লাখ মানুষ আখ কাটার কাজে নিয়োজিত। তাদের অনেকেই দিনে প্রায় ১৪ ঘণ্টা কাজ করে পান মাত্র ৪০০ রুপি। শ্রমিকদের একটি বড় অংশ মহারাষ্ট্রের বীড় জেলা থেকে কাজের সন্ধানে অন্য এলাকায় যান। নিজ এলাকায় কর্মসংস্থানের অভাব ও পরিবারের ভরণপোষণের চাপ তাদের এই কঠিন পেশায় যুক্ত হতে বাধ্য করে। কর্ণাটকের রামানালে ভোর ৪টা থেকেই শুরু হয় শ্রমিকদের কর্মব্যস্ততা। পূর্ণিমা নামের এক নারী শ্রমিকও প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে কাজের প্রস্তুতি নেন। ঋণ শোধ করতে নিজ গ্রাম থেকে ৫০০ কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দিয়ে অন্য শ্রমিকদের সঙ্গে অস্থায়ী তাঁবুতে বসবাস করছেন তিনি। আখ কাটার নারী শ্রমিকদের জন্য শারীরিক পরিশ্রমের পাশাপাশি মাসিক সামলানোও বড় চ্যালেঞ্জ। অস্থায়ী ক্যাম্পগুলোতে শৌচাগার ও বিশুদ্ধ পানির অভাব রয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ছুটি না পাওয়ার চাপ। কাজ থেকে এক দিন বিরতি নিলেই মজুরি কাটা কিংবা জরিমানার মুখে পড়তে হয় শ্রমিকদের। ফলে মাসিকের ব্যথা বা অসুস্থতা নিয়েও তাদের কাজ চালিয়ে যেতে হয়। দীর্ঘ সময় ভারী আখ কাটা, বোঝা বহন ও ট্রাকে আখ তোলার কাজ করতে গিয়ে বাড়ছে শারীরিক দুর্ভোগ। পূর্ণিমা দ্য ইন্ডিপেনডেন্টকে বলেন, ব্যথা থেকে মুক্তি পেলে তার জন্য অনেক বড় সহায়তা হতো। দীর্ঘদিনের কষ্ট থেকে রেহাই পেতে তিনি জরায়ু অপসারণের কথাও ভাবছেন। তিনি বলেন, ‘আমার কষ্ট কমছে না। এ কাজ চালিয়ে গেলে তা কেবল বাড়বে। এত ভারী ওজন তোলা বন্ধ করতে পারলে হয়তো ভালো হবে। কিন্তু এ কাজ ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই।’ বীড় জেলার বহু পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস মৌসুমি আখ কাটা। প্রতিবছর মুকাদ্দম নামে পরিচিত ঠিকাদারেরা শ্রমিকদের সংগঠিত করেন। তারা চিনিকলের সঙ্গে যোগাযোগ, যাতায়াতের ব্যবস্থা এবং অগ্রিম অর্থের জোগান দেন। পরে সেই অর্থ শোধ করতে শ্রমিকদের মৌসুমজুড়ে কাজ করতে হয়। স্বামী-স্ত্রীকে নিয়ে গঠিত প্রতিটি শ্রমিক দলকে স্থানীয়ভাবে ‘কইতা’ বলা হয়। সাধারণত সাত-আটটি কইতার একটি দলের মধ্যে আয় ভাগাভাগি হয়। প্রতিটি দম্পতির ওপর দৈনিক গড়ে তিন টন আখ কাটার চাপ থাকে। কোনো নারী অসুস্থতার কারণে কাজ করতে না পারলে দলের অন্য শ্রমিকদের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ পড়ে। এ কারণে অনেক ক্ষেত্রে তারা সংশ্লিষ্ট দম্পতির কাছ থেকে জরিমানা আদায় করেন। ফলে অসুস্থতা নিয়েও কাজ করতে বাধ্য হন নারী শ্রমিকেরা। সবিতা নামের এক শ্রমিক ২০২৫ সালের মার্চে জরায়ু অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, পেটে তীব্র ব্যথা থাকা সত্ত্বেও তাকে কাজ করতে হয়েছে। ট্রাকে আখ তুলতে মই বেয়ে ওঠার সময় গত বছর তিনবার পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। তারপরও অভিযোগ করার সুযোগ পাননি। সবিতা বলেন, ‘মাঠে কেউ সাহায্য করবে না। তারা একদম বিশ্রাম নিতে দেয় না। আমি এত অসুস্থ ছিলাম, তবু কেউ সাহায্য করেনি।’ পূর্ণিমাও জানান, কাজের মৌসুমে টানা চার থেকে পাঁচ মাস প্রতিদিন কাজ করতে হয়। গত তিন বছর ধরে অবিরাম ব্যথায় ভুগছেন তিনি। জরায়ু অপসারণের কথা ভাবলেও অস্ত্রোপচারের খরচ জোগাতে তাকে নতুন করে ঋণ নিতে হতে পারে। তার ভাষায়, ‘নিজের জরায়ু ফেলে দিতেও ঋণ নিতে হয়। মনে হয়, আমার শরীরই ব্যবস্থার দাসে পরিণত হয়েছে।’ ২০১৯ সালে মহারাষ্ট্র সরকারের একটি কমিটি বীড় জেলায় আখ কাটার কাজে নিয়োজিত ৮২ হাজার ৩০৯ জন অভিবাসী নারী শ্রমিকের ওপর জরিপ চালায়। এতে দেখা যায়, তাদের মধ্যে ১৩ হাজার ৮৬১ জনের জরায়ু অপসারণ করা হয়েছে। পরে জরিপে অংশ নেওয়া নারীদের ৪৫ শতাংশের বেশি শারীরিক বা মানসিক কষ্টের কথা জানান। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার জরায়ু অপসারণের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ এবং অভিবাসী শ্রমিকদের কল্যাণে কিছু উদ্যোগ নেয়। তবে শ্রমিকদের অভিযোগ, বাস্তবে তাদের জীবনযাত্রা ও কর্মপরিবেশে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি। ২০২৫ সালের মার্চে বোম্বে হাইকোর্ট আঞ্চলিক সরকারকে শ্রমিকদের যথাযথ নিবন্ধন, কল্যাণমূলক সুবিধা এবং স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার বাড়াতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। একই বছরের নভেম্বরে এ বিষয়ে পরবর্তী প্রতিবেদন প্রকাশের কথা থাকলেও তা প্রকাশিত হয়নি বলে জানিয়েছে দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট। পূর্ণিমা ও সবিতা দুজনেই জানিয়েছেন, তারা সরকারের কাছ থেকে কোনো কল্যাণ সহায়তা পাননি। দীর্ঘদিনের ব্যথা সামলাতে পূর্ণিমাকে নিয়মিত ব্যথানাশক ওষুধের ওপর নির্ভর করতে হয়। তিনি জানান, বছরে এসব ওষুধের পেছনে তার প্রায় ৫০ হাজার রুপি খরচ হয়। তবুও ব্যথা থেকে মুক্তি মিলছে না। পূর্ণিমা বলেন, ‘গ্রামে ফিরে আমাকে অস্ত্রোপচার করাতে হবে, কিন্তু এর জন্য আরও ঋণ নিতে হবে। মনে হয়, আমি যেন কাজ চালিয়ে যেতে পারি, সে জন্যই ব্যবস্থাটা আমার জরায়ুটাই কেড়ে নিচ্ছে।’ প্রতিবেদনটির বিষয়ে বীড় জেলার কালেক্টর বিবেক জনসনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। অন্যদিকে, কোকাকোলা জানিয়েছে, আখ কাটার শ্রমিকদের বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন, ছায়াযুক্ত বিশ্রামের স্থান, কাজের উপযোগী সরঞ্জাম এবং নারীদের স্বাস্থ্যবিধি-সংক্রান্ত পণ্যের সুযোগ বাড়াতে আন্তর্জাতিক নাগরিক সমাজ সংগঠন সলিডারিদাদের সঙ্গে অংশীদারত্ব করেছে তারা। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এই উদ্যোগে এক লাখ মানুষ উপকৃত হয়েছেন। দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট পেপসিকোর সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিল, তবে প্রতিষ্ঠানটি কোনো জবাব দেয়নি। আরটিভি/এসকে
আখ কাটার কাজ চালিয়ে যেতে জরায়ু কেটে ফেলছেন ভারতের নারী শ্রমিকরা
ফ্যানের সঙ্গে পেঁচানো যাবে না দড়ি-ওড়না, অভিনব উদ্যোগ নিল বিশ্ববিদ্যালয়
ভারতের গুজরাট রাজ্যের সুরাটে অবস্থিত বীর নর্মদ দক্ষিণ গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়ের (ভিএনএসজিইউ) আবাসিক হলগুলোতে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার ঝুঁকি কমাতে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থাসম্পন্ন ৩৮৮টি সিলিং ফ্যান স্থাপন করা হয়েছে।
ফ্যানের সঙ্গে পেঁচানো যাবে না দড়ি-ওড়না, অভিনব উদ্যোগ নিল বিশ্ববিদ্যালয়
টয়লেটে পাওয়া চিরকুট ঘিরে কলকাতা বিমানবন্দরে তোলপাড়, ছিল যে বার্তা 
যাত্রীদের ভিড়ে সরগরম কলকাতার দমদম বিমানবন্দর। এর মধ্যেই নারীদের টয়লেটে মিলল একটি চিরকুট।
টয়লেটে পাওয়া চিরকুট ঘিরে কলকাতা বিমানবন্দরে তোলপাড়, ছিল যে বার্তা 
আরও পড়ুন
জামালপুরে সাড়ে ৯০ লাখ টাকার ভারতীয় থান কাপড় জব্দ 
বিমানে শৌচাগারের আয়নায় লেখা ছিল ‘ভেতরে বোমা আছে’, অতঃপর...
সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় মালামাল জব্দ 
বন্ধুত্ব থেকে চরম শত্রুতা, প্রকাশ্য দিবালোকে রড দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যা