বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ , ১১:০৪ পিএম
ইরানের তেল বাণিজ্য ও অস্ত্র তহবিলের পথ বন্ধ করতে তেহরান-সংশ্লিষ্ট আটটি ট্যাংকার এবং ১০টি প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ট্রাম্প প্রশাসন সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ নীতির অংশ হিসেবে ইরানের তেল পরিবহনকারী তথাকথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’ এবং এর পেছনের কোম্পানিগুলোকে নিশানা করে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মূলত তেহরান যাতে তাদের অস্ত্র কর্মসূচি পরিচালনা এবং আঞ্চলিক সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোকে অর্থায়ন করতে না পারে, সে লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। খবর আল জাজিরার।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ের পাল্টাপাল্টি সামরিক হামলা এবং হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার চরম উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন এই সিদ্ধান্তের কথা জানাল।
এদিকে জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর তেহরানকে কড়া হুশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ফক্স নিউজ’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই আগ্রাসনের জন্য তেহরানকে চরম মূল্য দিতে হবে।
জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর প্রচণ্ড সামরিক আঘাত হানবে।
ইরানের ওই ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে ট্রাম্প ‘আকস্মিক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে পৌঁছানোর আগে প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য মার্কিন সেনাদের হাতে মাত্র কয়েক মিনিট সময় ছিল।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড দাবি করেছে, জর্ডানের সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানার আগেই তারা ইরানের ছোড়া সব ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে।
আরটিভি/এআর