images

লাইফস্টাইল

আজ জাতীয় লেবুর শরবত দিবস

রোববার, ০৩ মে ২০২৬ , ১২:১২ পিএম

গরমের দিনে এক গ্লাস লেবুর শরবত যেন মুহূর্তেই শরীরে এনে দেয় স্বস্তি। টক-মিষ্টি এই পানীয় শুধু তৃষ্ণা মেটায় না, বরং বিশ্বজুড়ে এটি ঘিরে পালিত হয় একটি বিশেষ দিন, লেবুর শরবত দিবস। বিশ্বজুড়ে এই দিনটি উদযাপন করা হয় লেবুর শরবত বিক্রির মাধ্যমে শিশুদের উদ্যোক্তা হওয়ার প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে।

কীভাবে শুরু হলো এই দিন 

এই দিবসের সূচনা হয় ২০০৭ সালে। এই দিবসের ধারণা আসে এক পারিবারিক ঘটনা থেকে। লিসা ও মাইকেল হোলথাউস এই উদ্যোগটি শুরু করেন শিশুদের ব্যবসায়িক দক্ষতা, দায়িত্ববোধ, অর্থ ব্যবস্থাপনা, লক্ষ্য নির্ধারণ এবং দলগত কাজের শিক্ষা দেওয়া, যাতে তারা ছোটবেলা থেকেই বাস্তব জীবনের দক্ষতা অর্জন করতে পারে। লিসার শৈশবের একটি অভিজ্ঞতা এই ধারণার জন্ম দেয়। ছোটবেলায় লিসা একটি পোষা কচ্ছপ কেনার জন্য লেবুর শরবত বিক্রি করেছিলেন, আর তার বাবা মাইকেল হোলথাউস তাকে নিজে উপার্জন করতে উৎসাহ দিয়েছিলেন। সেই অভিজ্ঞতাই পরবর্তীতে এই বিশেষ দিবসের ভিত্তি তৈরি করে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় আড়াই লক্ষাধিক শিশু এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।

আরও পড়ুন
Web-Image

মানুষের স্বভাব ভালো বা খারাপ, এটা কী জন্মগত? 

লেবুর শরবতের ইতিহাস 

লেবুর শরবতের ইতিহাসও বেশ পুরোনো ও সমৃদ্ধ। ধারণা করা হয়, লেবুর উৎপত্তি প্রথম শতকে ভারতে, যা পরে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে। ত্রয়োদশ শতকে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে লেবুর পানীয় তৈরি শুরু হয়, যা তখন ওষুধ হিসেবেও ব্যবহার করা হতো। পরে সপ্তদশ শতকে ইউরোপীয় বসতকারীরা এই পানীয় আমেরিকায় নিয়ে যায়। শিল্পবিপ্লবের সময় থেকে শিশুদের ছোট ব্যবসা শেখানোর মাধ্যম হিসেবে লেবুর শরবতের স্টল জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

লেবুর শরবত আজ শুধু একটি পানীয় নয়, বরং শিশুদের উদ্যোগী মানসিকতা গড়ে তোলার একটি প্রতীকী আয়োজন। যা বিশ্বজুড়ে একটি বিশেষ দিনের রূপ নিয়েছে।


আরটিভি/জেএমএ