images

লাইফস্টাইল / পরামর্শ

মেসেজ এলেই দ্রুত রিপ্লাইয়ে বাড়ছে মানসিক চাপ 

রোববার, ১০ মে ২০২৬ , ০৯:৩৫ এএম

ফোনে মেসেজ এলেই সব কাজ ফেলে সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দেন? অনেকেই এটাকে ভদ্রতা মনে করেন। কিন্তু মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, এর পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে উদ্বেগ আর মানসিক অস্থিরতা।

অনেক সময় মানুষ খাওয়া, কাজ বা বিশ্রামের মধ্যেও শুধু মেসেজের শব্দ শুনেই ফোন হাতে তুলে নেয়। কারণ উত্তর না দিলে ভেতরে অস্বস্তি কাজ করতে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের মস্তিষ্ক অসম্পূর্ণ বিষয় সহজে মেনে নিতে পারে না। তাই মেসেজ দেখে উত্তর না দিলে সেটি মাথার মধ্যে ঘুরতেই থাকে।

মনোবিজ্ঞানে এই প্রবণতাকে বলা হয় অসম্পূর্ণ পরিস্থিতির চাপ। বিশেষ করে যাদের মানসিক উদ্বেগ বেশি, তারা দ্রুত রিপ্লাই না দিলে নানা ধরনের ভয় কাজ করতে শুরু করে। যেমন—অন্যজন রেগে গেল কি না, ভুল কিছু বলা হয়েছে কি না, কিংবা সম্পর্ক খারাপ হবে কি না—এমন চিন্তা মাথায় ঘুরতে থাকে।

আরও পড়ুন
Web-Image

অফিসে বসেই বাড়ছে মেদ? জানুন কমানোর কৌশল 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত রিপ্লাই করা অনেক সময় ভদ্রতার চেয়ে নিজের অস্বস্তি কমানোর চেষ্টা বেশি। এতে মানুষ সব সময় মানসিক চাপে থাকে। ফোন তখন শুধু হাতে নয়, মাথার মধ্যেও সারাক্ষণ ঘুরতে থাকে।

গবেষণায় দেখা গেছে, সব সময় দ্রুত উত্তর দেওয়ার অভ্যাস থেকে মানসিক ক্লান্তি, মনোযোগ কমে যাওয়া এবং চাপ বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। ফলে মানুষ নিজের সময়টাও ঠিকমতো উপভোগ করতে পারে না।

মনোবিজ্ঞানীদের পরামর্শ, মেসেজ এলেই সঙ্গে সঙ্গে উত্তর না দিয়ে একটু সময় নেওয়া উচিত। নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে—এখনই উত্তর দেওয়া জরুরি, নাকি শুধু অস্বস্তি এড়াতে রিপ্লাই দিচ্ছেন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটু দেরিতে উত্তর দেওয়া অভদ্রতা নয়। বরং এটি নিজের সময় ও মানসিক শান্তিকে গুরুত্ব দেওয়ারই একটি লক্ষণ।


আরটিভি/জেএমএ