ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

অফিসে বসেই বাড়ছে মেদ? জানুন কমানোর কৌশল 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ০৮:৫৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত

সারাদিন অফিসে বসে কাজ, সঙ্গে ফাঁকে ফাঁকে চা-বিস্কুট আর ভাজাভুজি—এই অভ্যাসেই অজান্তে বাড়ছে শরীরের মেদ। অনেকেই নিয়ম করে বাসার খাবার খেয়েও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছেন না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু দুপুরের খাবার নয়, কাজের ফাঁকে কী খাচ্ছেন সেটাও খুব জরুরি।

দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকার কারণে শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমতে শুরু করে। এর সঙ্গে যোগ হয় অস্বাস্থ্যকর হালকা খাবার। ফলে পেট ও কোমরের মেদ দ্রুত বাড়ে। তবে খাবারে সামান্য পরিবর্তন আনলেই এই সমস্যা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অফিসে বারবার দুধ-চিনি দেওয়া চা বা কফি খাওয়ার বদলে চিনি ছাড়া চা, সবুজ চা বা কালো কফি খাওয়া ভালো। এতে শরীরে অতিরিক্ত চিনি জমে না।

কাজের ফাঁকে বিস্কুট, কেক বা ভাজাপোড়া না খেয়ে বাদাম, খেজুর, কিশমিশ কিংবা সূর্যমুখীর বীজ খেতে পারেন। এসব খাবার পেট ভরিয়ে রাখে, আবার শরীরেও অতিরিক্ত মেদ জমতে দেয় না।

আরও পড়ুন

অনেকে ফলের রস খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফলের রসের চেয়ে গোটা ফল খাওয়া বেশি উপকারী। কারণ ফলে আঁশ থাকে। যা হজম ভালো রাখে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

বিকেলের ক্ষুধায় শিঙাড়া, চপ বা বেগুনি খাওয়ার অভ্যাসও বাড়াচ্ছে ওজন। এর বদলে মুড়ি, চিড়া ভাজা, ছোলা ভাজা বা মাখনা খেতে পারেন। এতে পেটও ভরবে, শরীরও থাকবে হালকা।

এছাড়া টক দইও হতে পারে অফিসের দারুণ একটি খাবার। দুপুরের খাবারের আগে বা পরে টক দই খেলে হজম ভালো থাকে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শুধু খাবার নয়, কাজের ফাঁকে মাঝেমধ্যে হাঁটাচলাও জরুরি। নিয়মিত একটু সচেতন থাকলেই জিমে না গিয়েও শরীরকে রাখা সম্ভব ছিপছিপে ও সুস্থ।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
আরও পড়ুন
এসআরবির নতুন মহাপরিচালক ফারুক আহমেদ
আন্দোলনের নামে যারা সহিংসতা করছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ মাতাতে দলের সঙ্গে যোগ দিলেন জায়ান আহমেদ
‘জুলাইয়ে ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে ছিলেন পলক’