শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ , ১২:২২ পিএম
সর্দি-কাশি, জ্বর কিংবা গলা ব্যথার মতো সমস্যায় অনেকেই ঘরোয়া উপায়ের ওপর ভরসা করেন। এর মধ্যে শুকনো আদা দীর্ঘদিন ধরেই একটি কার্যকর প্রাকৃতিক সমাধান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশেষ করে বমি ভাব, বদহজম কিংবা চলন্ত গাড়িতে অস্বস্তি কমাতে শুকনো আদা বেশ উপকারী বলে মনে করেন অনেকে।
বাজারে শুকনো আদা সহজেই পাওয়া গেলেও অনেক সময় তা অতিরিক্ত নুনযুক্ত বা স্বাদে অস্বস্তিকর হয়। তাই বিশেষজ্ঞরা ঘরেই পরিষ্কারভাবে শুকনো আদা তৈরি করার পরামর্শ দেন।
কীভাবে বানাবেন শুকনো আদা
শুকনো আদা তৈরির জন্য প্রথমে আদার খোসা ছাড়িয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে, কারণ মাটির নিচে জন্মানোর কারণে এতে ময়লা লেগে থাকতে পারে।
এরপর ছুরি বা গ্রেটারের সাহায্যে আদাকে সরু করে কেটে নিতে হবে। সংরক্ষণের জন্য সামান্য নুন ব্যবহার করা হয়, যা আদার জলীয় অংশ বের করে দিয়ে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক জন্মাতে বাধা দেয়।
চাইলে সামান্য হলুদ ও গোলমরিচও মেশানো যেতে পারে।
শুকানোর পদ্ধতি
মশলা মেশানোর পর আদার কুচিগুলো পরিষ্কার সুতির কাপড়ে ছড়িয়ে রোদে শুকাতে হবে। যতক্ষণ না পুরোপুরি শুকিয়ে যাচ্ছে, ততক্ষণ রোদে রাখতে হবে।
চাইলে দ্রুত শুকানোর জন্য মাইক্রোওভেনেও হালকা তাপে শুকিয়ে নেওয়া যেতে পারে।
সংরক্ষণ পদ্ধতি
শুকিয়ে গেলে শুকনো আদা কাচের বয়ামে ভরে রাখতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, বয়ামের ঢাকনা যেন ভালোভাবে বন্ধ থাকে।
কারণ বাইরের আর্দ্রতা ঢুকে গেলে আদার স্বাদ, ঝাঁঝ ও কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
উপকারিতা
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুকনো আদা—
সহজ এই ঘরোয়া উপায়ে তৈরি শুকনো আদা দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করে প্রয়োজনের সময় ব্যবহার করা যায়, যা স্বাস্থ্যের জন্যও বেশ উপকারী বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
আরটিভি/জেএমএ