images

লাইফস্টাইল / রূপচর্চা / পরামর্শ

এক মুঠো নিমপাতায় দূর হবে গরমে ঘামাচি-চুলকানি 

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ , ০২:৪৩ পিএম

গরম পড়তেই শুরু হয় ঘামাচি, চুলকানি, র‍্যাশ ও ব্রণের মতো ত্বকের নানা সমস্যা। অনেকেই দামী প্রসাধনী ব্যবহার করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পান না। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ত্বকের এসব সমস্যার সহজ সমাধান লুকিয়ে আছে প্রকৃতির মধ্যেই। আর সেই সমাধানের অন্যতম নাম নিমপাতা।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, নিমপাতায় থাকা জীবাণুনাশক ও প্রদাহনাশক উপাদান ত্বকের সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে। ঘামাচি, চুলকানি, ব্রণ ও র‍্যাশের সমস্যা কমাতেও এটি কার্যকর হতে পারে।

নিম পানিতে গোসল

গরমের সময়ে নিম পানিতে গোসল করলে ত্বকে আরাম মিলতে পারে। এক মুঠো তাজা নিমপাতা দুই গ্লাস পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি ছেঁকে গোসলের পানির সঙ্গে মিশিয়ে নিন। এটি ঘামাচি কমাতে এবং ত্বককে শীতল রাখতে সহায়তা করে। পিঠ ও বুকে ব্রণের সমস্যাতেও উপকার পাওয়া যেতে পারে।

নিম ও হলুদের মুখোশ

গরমে ত্বকে তেলতেলে ভাব বেড়ে যায়। এ সময় নিমপাতা বেটে তার সঙ্গে সামান্য হলুদ ও গোলাপ জল মিশিয়ে ত্বকে লাগানো যেতে পারে। এই প্রাকৃতিক মুখোশ অতিরিক্ত তেল ও ব্রণ কমাতে সাহায্য করে। মাত্র ১৫ মিনিট ব্যবহার করলেই ত্বক আরও সতেজ দেখাতে পারে।

আরও পড়ুন
Web-Image

মন না চাইলেও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ুন ৭ সহজ কৌশলে

রোদে পোড়া ত্বকে নিমের ব্যবহার

অতিরিক্ত রোদে ত্বক লাল হয়ে গেলে বা জ্বালাপোড়া করলে তাজা নিমপাতা থেঁতো করে তার সঙ্গে ঠান্ডা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি ত্বকের জ্বালা কমাতে এবং ক্ষত সারাতে সহায়তা করে।

নিমপাতার পানীয়

শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকর উপাদানের প্রভাব অনেক সময় ত্বকে দেখা দেয়। এ কারণে কিছু মানুষ নিমপাতা ফুটিয়ে সেই পানি পান করেন। এটি রক্ত পরিষ্কার রাখতে এবং যকৃতের কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে বলে ধারণা করা হয়। যদিও এর স্বাদ তিতা, তবু শরীরের জন্য উপকারী বলে মনে করা হয়।

ত্বকের যত্নে নিম তেল

নিম তেল শুধু চুলের যত্নেই নয়, ত্বকের যত্নেও ব্যবহার করা যায়। নারকেল তেল বা কাঠবাদামের তেলের সঙ্গে নিম তেল মিশিয়ে ত্বকে লাগালে প্রদাহ ও চুলকানি কমাতে সাহায্য করতে পারে। পাশাপাশি মশার কামড়ের বিরক্তিও কিছুটা কমতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ও সঠিকভাবে নিমপাতা ব্যবহার করলে গরমকালের অনেক ত্বকের সমস্যা থেকে স্বস্তি পাওয়া সম্ভব। তবে কোনো সমস্যা গুরুতর হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


আরটিভি/জেএমএ