রোববার, ২১ জুন ২০২৬ , ১১:৫৮ এএম
বাবার জন্য উপহার বেছে নিতে গিয়ে অনেকেই দ্বিধায় পড়ে যান। কী দিলে বাবার মুখে হাসি ফুটবে, কোন উপহার হবে তার জন্য সবচেয়ে স্মরণীয়—এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খায় সন্তানের মনে। তবে বাবার বয়স, পছন্দ ও জীবনযাত্রার কথা মাথায় রেখে উপহার বেছে নিলে সেটি হয়ে উঠতে পারে আরও বিশেষ।
৩৫ থেকে ৪৪ বছর বয়সী বাবার জন্য
এই বয়সে বাবারা সাধারণত কর্মজীবন, পরিবার ও নিজের পছন্দের বিষয়গুলো একসঙ্গে সামলান। তাই তাদের জন্য কাজে লাগে এমন উপহার হতে পারে দারুণ পছন্দের। স্মার্ট ঘড়ি, তারবিহীন শ্রবণযন্ত্র, ভালো মানের মানিব্যাগ কিংবা পরিবারের ছবি দিয়ে তৈরি বিশেষ স্মৃতির বই বাবাকে আনন্দ দিতে পারে। প্রযুক্তি পছন্দ করেন এমন বাবার জন্য ঘরের আধুনিক যন্ত্রও হতে পারে উপযুক্ত উপহার।
৫০-এর কাছাকাছি বয়সী বাবার জন্য
৪৫ থেকে ৫৪ বছরের বাবারা সাধারণত আরাম ও জীবনের অভিজ্ঞতাকে বেশি গুরুত্ব দেন। এই বয়সে সুন্দর হাতঘড়ি, চামড়ার ভ্রমণ ব্যাগ, পড়ার যন্ত্র, শরীরের আরামদায়ক মালিশের উপকরণ কিংবা পরিবারের ছবি আঁকা বিশেষ স্মারক হতে পারে আবেগের উপহার। নতুন কোনো অভিজ্ঞতাও তাকে খুশি করতে পারে।
৫৫ থেকে ৬৪ বছরের বাবার জন্য
এই বয়সে স্বাস্থ্য, শখ ও পুরোনো স্মৃতির গুরুত্ব বাড়ে। তাই বাগান করার সরঞ্জাম, স্মৃতির ছবি দেখার যন্ত্র, ভ্রমণের আয়োজন কিংবা পরিবারের বিশেষ মুহূর্ত নিয়ে তৈরি স্মৃতির খাতা বাবার মুখে হাসি আনতে পারে। নিজের পছন্দের কাজে সময় কাটানোর সুযোগও হতে পারে দারুণ উপহার।
সত্তরের কোঠায় থাকা বাবার জন্য
৬৫ থেকে ৭৫ বছর বয়সী বাবাদের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান হয়ে ওঠে পরিবারের ভালোবাসা ও সময়। নাতি-নাতনিদের ছবি দিয়ে সাজানো স্মৃতির ফ্রেম, নিজের জীবনের গল্প নিয়ে তৈরি বই, আরামদায়ক কম্বল কিংবা পরিবারের সবাইকে নিয়ে বিশেষ সময় কাটানো হতে পারে সবচেয়ে বড় উপহার।
তবে বাবার বয়স যতই হোক, তার কাছে সবচেয়ে বড় পাওয়া হলো সন্তানের ভালোবাসা, যত্ন ও পাশে থাকা। দামি উপহারের চেয়েও একটি আন্তরিক কথা—‘তুমি আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় রহমত বা আশীর্বাদ’—হয়ে উঠতে পারে বাবার জন্য সবচেয়ে মূল্যবান উপহার।
আরটিভি/জেএমএ